i Love Stories

Best Stories 2025 Best Stories / Broken Heart Stories / Hindi Stories / Urdu Stories / Gujarati Stories / Bengali Stories / Punjabi Stories

Latest

Showing posts with label Bengali. Show all posts
Showing posts with label Bengali. Show all posts

Thursday, 28 May 2020

May 28, 2020

USA Love Story in Bengali Language


"Happy"ni Yani LeeMay kabigan ako. Ang pangalan niya  ayHappy.Kayang-kaya niyang patawin kaming magkakaibigan; kayang kaya nya kami mapa-ngiti Lagi siyang naka-ngiti. Naabutan ko din sya minsan na naka earphone tapos nakatulala sa langit o di kaya sa malayo..So napatanong ako sa sarili ko, 'Bakit kaya lagi syang masaya?' 'Bakit kaya lagi siyang naka-earphone?'.Nasagot naman ang tanong ko.Last sunday nag punta kaming park after naming magsimba. Pagdating namin sa park, agad kaming umupo sa damuhan dahil malinis naman..Me: Psst, bili lang akong food natin ha?Happy: Sige..*sabay salpak ng earphone* After ko makita na nagsalpak na naman sya ng earphone nagkunwari akong umalis na pero ang totoo nagtago lang ako sa malapit na puno sapat na para matanaw ko siya... ang ekspresyon nya.Ayun na naman sya nakatulala sa langit...Tinitigan ko lang sya hangang sa nakita kong unti-unti ng tumulo ang luha nya. Walang ibang ekspresyon ang mukha nya kundi lungkot at sakit.Me:shh...*sabay yakap* ok lang yan, taha na..Happy:*tumingin sakin ng gulat sabay pahid ng luha*b-bakit? Akala ko ba bumili ka ng pagkain natin?Me: Ilabas mo na yan..Pagkasabi ko ng mga katagang yan, niyakap nya ako ng mahigpit. Umiyak lang sya hindi ako nagtanong kasi alam kong mas masasaktan lang sya. Pero nagulat ako nang mag salita sya..Happy: Ang sakit, ang sakit na sarili mong magulang sabihan ka ng malandi. Na lumalandi lang ako sa school, na bobo ako, na tanga ako, na ang kapal ng mukha ko, na wala kong kwenta. Tapos papatigilin pa nila ako sa hilig ko. Pakiramdam ko nasa isa akong kahon na hindi makawala dahil sa sobrang dilim sa loob at hindi ko alam ang labasan. Beh, hindi ko na sasabihin ang buong istorya ha? Drama ko na eh. Hahaha. Ampanget ko na tuloy! hahaha. Pero thank you kasi nabawasan din kahit papaano yung sakit, sakit na nakabaon dito sa puso ko. Peroalam mo bang gusto ko ng mamatay pero ayoko pa din kasi nandyan kayong mga kaibigan ko. Kailangan ko pa kayong pasayahin. Kasi makita ko lang kayong masaya masaya na din ako.After nyan, lalo kaming naging close. Napapag katiwalaan nya ako kasi pinapahiram nya pa sakin minsan account nya kahit ayoko. Kapag binubuksan ko account nya lagi kong napapansin yung account nya, I mean yung sarili nyang message sa sarili nya. Talagang ayaw nya na sa sarili niya, ayaw nya na talaga pero pinipili niyang mabuhay para saming mga kaibigan nya sa pangarap nya. Yan nalang ang dahilan kung bakit gusto nya pang mabuhay. Aang pangarap nya ay makapagtapos ng pag-aaral, makapag travel sa mundo, para naman daw masilayan nya ang gawa ng nakakataas. Kaya naman talagang proud ako sa kanya kasi nagagawa nya pang ngumiti kahit sobrang sakit nung nararamdaman nya deep inside; kaya nya paring magpangiti ng ibang tao tinatago niya yung sakit .na nararamdaman nya sa pamamagitan ng pagngiti pagtawa at pagpapasaya ng tao..Yun lang. Gusto ko lang ibigay pati ang messag ko para sa inyo. Kung may kilala kayong masayahin na tao, try nyo tumingin sa mata nila, makikita nyo ang sakit kasi kadalasan na nasa depression ay yung mga taong pala ngiti and ask them kung ok lang ba sila kasi some other people di talaga sila nag oopen.Thanks for Reading 😊Godbless 💟

Thursday, 23 April 2020

April 23, 2020

একটা বেজন্মা পঙ্কোজ A sterile Pankaj



হাওড়া থেকে বর্ধমান মেন লাইনের ট্রেন ছিল আমার আর আমার বরের(তখন বয় ফ্রেন্ড) কলেজ পালিয়ে টাইম কাটানোর অন্যতম প্রিয় জায়গা।দুপুরের দিকে কলেজ থেকে ক্লাস পালিয়ে বেড়িয়ে একটা বর্ধমান লোকালে উঠে পড়া আর তারপর ট্রেনের তালে চলতে থাকা।শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সব ঋতুতেই নতুন আনন্দে আমাদের এই ট্রেন ভ্রমণ চলতে থাকতো।আপ লাইনে দুপুরের দিকে ট্রেনে খুবই কম লোক থাকতো।বেশীরভাগ দিনই খুব সহজেই আমরা জানালার ধারের সীট পেয়ে যেতাম।তারপর হাজার গল্প, খুনসুটির সাথে সাথে জানলা দিয়ে কত রকমের দৃশ্য দেখতে দেখতে কল্পনা আর বাস্তবের মিলমিশে গড়া এক মায়াবী জগতে চলে যেত আমাদের মন।যারা বর্ধমান লাইনে গেছেন তারা জানবেন যে কয়েক বছর আগেও(এখন জানিনা) মেমারীর পর থেকে বর্ধমানমুখী স্টেশনগুলো একপ্রকার সহজ সরল গ্রাম্য স্টেশনই ছিল।ট্রেন থেকে কখনও বা স্টেশনের পাশের হলুদ সমারোহ সরষে ক্ষেত, কখনও বা সারি সারি কাশফুল দেখে অজানা স্টেশনে নেমে পড়তাম আমরা।তারপর কিছুক্ষণ স্টেশনের কাছাকাছি মাটির রাস্তা ধরে ঘুরে, অচেনা লোকের সর্ষে ক্ষেতে DDLG র pose দিয়ে ফটো তুলে, বা ঝিলের ধারে গাছের সুনিবিড় ছায়াতলে মাছ ধরতে বসা কাকুর সাথে আগডুম বাগডুম গল্প করে, সারি সারি গাছের স্নিগ্ধ শীতল হাওয়া খেয়ে,বৃষ্টিভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ শুঁকে আবার ফেরার ডাউন বর্ধমান লোকাল ধরতাম।কখনও বা মধ্য গগনের সূয্যিমামার দীপ্ত ছোঁয়ার ভয়ে ট্রেন থেকে নামতাম না।ঝালমুড়ি,ছোলা সেদ্ধ,বাদাম,সোন্ পাপড়ি, দিলখুশ,কাঁচা আম,কুলফি যা যা উঠতো সব খেতে থাকতাম।তা সে যাই হোক আজকের গল্পের বিষয় অন্য কিছু।এবার তার কথায় আসা যাক।
এরকমই একদিন গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে সম্ভবত বৈঁচী স্টেশন থেকে একটা ৯-১০ বছরের ছেলে মা র সাথে ওঠে।খালি গা, হাফ প্যান্ট পরা, মাথায় রুক্ষ চুল, কষ্টি পাথরের মতো কালো গায়ের রঙ আর তাতে অসম্ভব মিষ্টি মুখখানা আর টানা দুটো চোখ।একেবারে কৃষ্ণ ঠাকুর।মার হাতে বিশাল এক বস্তা।বস্তা নিয়ে মা বসলো দরজার ধারে।বাচ্চাটি আমাদের থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আমাদের দুজনকে দেখতে লাগল আর মিচকি মিচকি হাসতে লাগলো।আমার ভীষণ কৌতূহল হল।
“আমি তো ইংরাজী জানি।ক্লাস ফাইভে পড়ি।স্কুলেও শেখায়।আর একটা কাকুর কাছে পড়তে যাই।১০০ টাকা নেয়।এখন দুপুরে মা আর খায় না।তাই তো মাইনে দেবার টাকা আসে।আমি অনেককিছু জানি ইংরাজীতে।ট্রেনে ওঠার আগে দেখলাম সূর্য মাথার ওপর থেকে সরে গেছে।তার মানে ১২টা বেজে গেছে।১২টা বেজে গেলে Good afternoon হয় আর ১২টার আগে Good morning. Good afternoon দিদি।Good afternoon দাদা।শুধু তুমি কি একটা বললে ইংরেজীতে ওটার মানে জানি না।ওটার মানে কি গো?আরএকবার বলো না।”
ওদের দুজনকে খাওয়াবার খুব ইচ্ছা করছিল।কিন্তু এমনই দুর্ভাগ্য সেদিন কিছুই ওঠেনি ট্রেনে।হয়তো বেশী পেছনের দিকের কামরায় ওঠা হয়ে গেছে।ব্যাগেও একটা বিস্কুটও নেই।পার্স থেকে একটা ১০০ টাকার নোট বার করে “এই নে তোর প্রাইজ।বড়ো মানুষ হতে গেলে তো আরও বেশী করে পড়তে হবে।এটা তোর সামনের মাসের মাইনে।কদিন কাগজ না কুড়িয়ে ওই সময় পড়বি।”
“এইটা তোমার হাতে ফোন তাই না দিদি? এতে আমার আর মায়ের একটা ছবি তুলে দেবে?তুলে তোমার কাছে রেখে দাও।আমি বড়ো হলে তোমার কাছ থেকে গিয়ে নিয়ে আসবো।তোমার ফোন নাম্বারটা খাতায় লিখে দিও।ছবি তোলার পর আবার দিচ্ছি খাতাটা।আর দুটো লজেন্স দেবে?একটা মার একটা আমার।বাড়ীতে বোন আছে কিন্তু ওর তো এখনও দাঁতই বেড়োয়নি।ওকে আমি পরে কিনে দেব।আর কেউ নেই বাড়ীতে।”
ট্রেনটা তখন কোন একটা স্টেশনে থেমেছিল।প্রায় ছাড়ার মুখে।হঠাৎ এক চেকার উঠে ওদের দিকে রে রে করে তেড়ে এল “এই তোরা আবার উঠেছিস!!!Ticket কাটার মুরোদ নেই এদিকে ট্রেনে চাপার শখ ষোলোআনা।যত বেজন্মার দল।আবার আম বিক্রী করছিস।”প্রায় ইলেকট্রিক শক লেগে রিঅ্যাকশানের মতো মা ছেলে ছিটকে বেড়িয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে পড়ল।আমরা পেছন পেছন দৌড়ে দরজার কাছে গিয়ে “যাস না।আমরা ভাড়া দিয়ে দেবো।চকোলেট টা নিয়ে যা।ফোন নাম্বার নিলি না তো।”ততক্ষণে ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গতি নিয়ে নিয়েছে।নামার সাহস আমাদের নেই।পরের স্টেশনে নেমে নেক্সট্ ট্রেনে আবার ব্যাক করেছিলাম।না কুমুদের দেখা আর পাইনি।তারপরেও অনেকদিন ওই লাইনে গেছি কিন্তু কোনোদিনও পাইনি।

Saturday, 18 April 2020

April 18, 2020

বৃষ্টি ভেজা আতঙ্ক The rain is wet panic Bengali Story from iLvStories

এই রে! এতক্ষন ধরে বকবক করে চলেছি অথচ পাঠককূলকে আমার পরিচয়টাই দেওয়া হয় নি। আমি হলাম শান্তিপ্রিয়া। না না, 'ওম শান্তি ওম' ছবির দীপিকা পাড়ুকোণ ভেবে বসবেন না যেন। আমি হলাম পায়রাডাঙার পুকুর আর ধানক্ষেতের মধ্যে বেড়ে ওঠা শান্তিপ্রিয়া প্রামাণিক।নাম শুনে আবার মনে করছেন হয়তো চোখে চশমা আঁটা তাঁতের শাড়ী পড়া বছর পঞ্চাশের কোনো বদরাগী মহিলা আমি। এই যেমন কানা ছেলের নামও পদ্মলোচন হয় তেমন আর কি। এবারেও কিন্তু ভুল ভাবছেন। আমি ৩০ ছুঁইনি এখনো। নামটা দাদার রাখা, লেখক শান্তিপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়ের অনুকরণে। তা আমার মধ্যেও কিছুটা ভাব প্রকাশ পেয়েছে আর কি। নামের মহিমা বলেও তো কিছু আছে। আমি আজকাল 'চিন্তক' ছদ্মনামে একটু আধটু রোমহর্ষক উপন্যাস লেখা শুরু করেছি। মিথ্যে বলবো না; কাটতিও হচ্ছে বেশ।
আমাদের ক্যাবটি আপাতত বিশাল বড়সড় ট্রাফিকে আটকে।বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পরেই চলেছে আর তার সাথে মাঝে মাঝে চলছে দমকা হওয়ার খেলা।ক্যাবের ভিতরের নিস্তব্ধতাকে ভেদ করে হঠাৎ জ্ঞানমণি বাবু গুনগুন করে উঠলেন, 'রিমঝিম গিরে সাওন'। ওনার যা সুরের বহর কিশোর কুমার বেঁচে থাকলে নির্ঘাৎ আত্মহত্যা করে বসতেন।"জানেন স্কুলে থাকতে গানের কম্পিটিশনে এই গানটা গেয়ে আমি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছিলাম। সবাই বলতো একেবারে যেন স্বয়ং কিশোর কুমার"। খক্ খক্ খক্!!! ওনার ৫০০% মিথ্যে কথা শুনে আমার বেমক্কা এমন জোর হাসি পেয়ে গেল যে সেটা চাপতে গিয়ে কেশে কেশে প্রায় যায় যায় অবস্থা। মানতে হবে ড্রাইভার বাবাজি আজ অদ্ভত সংযমের পরিচয় দিচ্ছেন। ইশ! টেলিপ্যাথিটা ঠিকঠাক জানা থাকলে কি ভালোই না হতো, একটু টিপ্স নিতাম।
লেখালেখির পাশাপাশি আমি ধর্মতলায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকে চাকরী করছি এই সবে দু’বছর হল। ঠাকুরপুকুরে মাসীর বাড়ীতে থেকে যাতায়াত করি,আর সপ্তাহান্তটা তোলা থাকে পায়রাডাঙার জন্য। এখন লালবাজার থেকে ফিরছি।না পুলিশদের নিয়ে আমার পরবর্তী উপন্যাস লেখার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই। আসলে গেছিলাম লালবাজার থানার উল্টোদিকে ধ্রব টি সেন্টারে। ওখান থেকে দার্জিলিং টি কিনলাম। ফ্যানিংস ছাড়া আমার ঠিক পোষায় না। তাই বাইরে কোথাও চা খাই না। এই চা খাওয়া থেকে একটা অদ্ভত কথা মনে পড়ল। দিন দুয়েক আগে একজন হিন্দিভাষী ভদ্রলোকের সাথে কথা হচ্ছিল। উনি তো চা খাবেন কি না জানতে চাওয়ায় হেসেই কুটোপাটি।জিজ্ঞাসা করলেন আমরা বাঙালিরা চা 'খাই ' কি করে? ওনাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে শুদ্ধ বাংলায় তরল জিনিস পান করা হয় কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব কিছু শর্ট করার তাগিদে আমরা এখন সবই খাই।এই অবস্থার সম্মুখীন হয়তো সব বাঙালিকেই কখনো না কখনো হতে হয়েছে।

"জানবাজার চেনেন?ওখানে একটা দোকানে ফটোফ্রেম করতে দেওয়া ছিল। নিতে গিয়ে দেখি উল্টোদিকেই একটা সাইনবোর্ডে লেখা 'রাণী রাসমণির বাড়ি '। বাড়িটা দেখে মনটা কেমন করে উঠল। আপনি দেখেন সিরিয়ালটা? ভালো হচ্ছে কিন্তু। মেয়েটা কি ভালো অভিনয় করে তাই না?"- খুবই আনন্দের সাথে কথাগুলো বললেন জ্ঞানমণিবাবু।"হবে হয়তো, আমি এখনকার বাংলা সিরিয়াল দেখি না”।ওনার হাসিখুশি ভাবটা এক নিমেষে উধাও হয়ে গেল। ভদ্রলোককে এখন বেশ গম্ভীর দেখাচ্ছে। আমাদের ক্যাব এতক্ষনে খিদিরপুর ঢুকব ঢুকব করছে। "আচ্ছা অপরাধ সম্পর্কে আপনার কি মতামত? মানে অপরাধ ঠিক কত ধরনের হতে পারে?এই যেমন শুধু মানসিক বা শারীরিক নয়, আমি বলতে চাইছি আরো কিছু !" এমন অতর্কিত আক্রমণ আমি আমার দুঃস্বপ্নেও ভাবি নি। এ আবার কি ধরণের প্রশ্ন? লোকটা ঠিক কি চায়? আমি লোকটার মুখের দিকে না তাকিয়েও ঠিক বুঝতে পারছি ওনার চোখটা হয়তো অস্বাভাবিক রকম চকচক করছে।
"আমার এই বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান নেই।"- কথাগুলো খুব ধীরে ধীরে বললাম। "জানতে তো হবেই। অপরাধ তো আকছার হচ্ছে চারিদিকে; আপনার আমার আশেপাশে। কখনো হয়তো আমাদের সাথেই হয়ে গেল কিংবা আমরাই অপরাধী হয়ে গেলাম"। আমি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলাম ভদ্রলোকের দিকে। "হমম, তা হলিউডের সিনেমাও কি দেখেন না? একটু আধটু হলেও খোঁজ রাখেন আশা করি। কুয়েন্তিন তারান্টিনোর নাম শুনেছেন? কি অসাধারণ সব সিনেমা বানান উনি। আহ্! একেবারে রত্ন। আমার তো..." মিঃ চৌধুরীকে মাঝপথেই থামিয়ে দিয়ে আমি বলে উঠলাম, "না ঐরকম নৃশংসতা আমি দেখতে পারি না। সে বাস্তবে হোক কি সিনেমার পর্দায়"। উনি ওনার মুখটা আমার কানের অনেকটা কাছে নিয়ে এসে বললেন, "কিন্তু আমার তো ভালো লাগে। রক্ত!" আর এরপরই তীব্র অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন। এই রহস্যময় লোকটা প্রত্যেক সেকেন্ডে আগের থেকেও বেশি করে রহস্যময় হয়ে উঠছেন। একটা অজানা আতঙ্ক যেন হঠাৎ আমায় গ্রাস করে বসলো। আর উনি সেই বাঁজখাই গলায় গাইতে শুরু করে দিলেন 'নায়ক নেহি খলনায়ক হু ম্যাঁ'।
উনি এই মুহূর্তে কোন কুমার তা আর বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আমার নেই। আপনারা সকলে নিশ্চয় ভালো করেই জানেন এবং মানেন যে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দরকারের সময় তিনটে জিনিস পাওয়া যায় না - বাস, সিনেমার পুলিশ আর ফোনের টাওয়ার। তা আমাদের সেই বিশ্বাসের মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রেখে আমার ফোনটি আপাতত অচলাবস্থায় বিরাজমান। মানে আমি এই মুহূর্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। আর কতক্ষন যে এভাবে চলবে? এই সিরিয়াস সময়ে একটা খুব প্রিয় গান হঠাৎ মনে পড়ে গেল -'এই পথ যদি না শেষ হয়'। লিস্টটা একটু বদলাতে হবে এবার।এই গানটা এই মুহূর্তে আমার কাছে ভীতিপ্রদ।গুপী-বাঘার জুতোজোড়াটা দারুন মিস্ করছিl থাকলে এখন কাজে লাগানো যেতl ভূতের রাজা আপনি কোথায়?

"ও ড্রাইভার দাদা একটু জোরে চালান না। এখন তো রাস্তা আগের তুলনায় অনেকটাই ফাঁকা। পিছনের গাড়িগুলো তো সব পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল। "ডায়মন্ড হারবার রোড ধরে এগিয়ে চলেছে আমাদের গাড়ি।"আহা! এতো রাগছেন কেন? বেশি রাগলে ব্লাড প্রেসার বেড়ে গিয়ে শরীর খারাপ করবে তো।" লোকটার কি বাড়ি পোঁছানোর আদৌ কোনো তাড়া নেই? যতদূর মনে পড়ছে আমার গন্তব্যটাই আগে ছিল।

দেখতে দেখতে বেহালা চৌরাস্তা চলে এল। ঘড়ির কাঁটা রাত ১০ টা ছুঁয়েছে। বৃষ্টি পড়া অনেকক্ষন আগেই বন্ধ হয়ে গেলেও চারদিকটা কেমন যেন থমথমে। চৌধুরী মশাই জানলার দিকে কাত হয়ে বসে ঠিক কি করছেন বোঝা যাচ্ছে না। এদিকটায় মনে হয় ঝড়ের দাপট একটু বেশীই ছিল। রাস্তায় অনেক জায়গায় গাছ বা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে আছে। স্ট্রীটলাইটগুলো বেশিরভাগই অকেজো; ভরসা বলতে গাড়ির হেডলাইটগুলোই। "তা মামণি এযাত্রা বাড়ি তো আর স্বজ্ঞানে পৌঁছানো গেল না!" বলেই জ্ঞানমণিবাবু হঠাৎ আমার নাকে একটা রুমাল চাপা দিয়ে দিলেন। গন্ধটা একটু মিষ্টি মিষ্টি। স্কুলে থাকতে কি যেন পড়েছিলাম ? ক্লোরোফর্ম ? আমার আর কিছু মনে নেই।
জ্ঞান ফিরতে দেখি আমি মাসির ঘরে বিছানায় শোয়া। মাসি হাতে একটা জলের গ্লাস নিয়ে আমার পাশে বসে মাথায় জল ছিটিয়ে দিচ্ছে।"উফ্! তোর জ্ঞান ফিরল।আমি খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম। জানিস তো তোর মেসোও বাড়ীতে নেই ,তাতানকে আনতে গেছে।" আমি মনে করার চেষ্টা করলাম ঠিক কি হয়েছিল কিন্তু পারলাম না। মাসি বলে চলল,"ড্রাইভার আর আরেকটা লোক মিলে তোকে পাঁজাকোল করে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে গেল। খাওয়াদাওয়া নিয়ে এই যে তোর এত নাক সিঁটকানো আর চলবে না বলে রাখলাম। ওরা ভাল মানুষ বলে তোকে সাবধানে নিয়ে এলো, না হলে জানিসই তো আজকাল রাস্তাঘাটের অবস্থা। ভগবান না করুন কাল তোর কিছু হলে দিদিকে কি জবাব দেব বল দেখি। অনেক রাত হয়ে গেল। যাই তোর খাবারটা নিয়ে আসি।" চেয়ে দেখি আমার হ্যান্ডব্যাগের কোণা থেকে একটা সাদ কাগজ উঁকি দিচ্ছে। হ্যা আমাকেই লেখা একটা চিঠি।প্রথমেই নিজের ব্যবহারের জন্য আমি আপনার কাছে অত্যন্ত ক্ষমাপ্রার্থী। আপনার কোনোরকম ক্ষতিসাধন করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। আমি আদতে একজন মেডিক্যালের ছাত্র। হ্যা এটাই সত্যি,আমি মেকআপ করে ছিলাম।অভিনয় আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা শখের পর্যায়ে পরে আর আমি মাঝেসাজে একটু আধটু থিয়েটারও করি। মাকে চমকে দেওয়ার জন্য না তোলা মেকআপটা আজ যে এভাবে কাজে লেগে যাবে তখন বুঝিনি।
আপনার হয়তো খুব রাগ হচ্ছে; পুলিশে যাওয়ার কথা ভাবছেন;ঠিক আছে যান কিন্তু তার আগে আমার বক্তব্যটা জেনে রাখুন।অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছি একটা সাইকোপ্যাথ সিরিয়াল কিল্লারকে নিয়ে সিনেমা বানাতে। কিন্তু বিভিন্ন কারনে তা হয়ে উঠছে না। কিন্তু সিনেমা তো আমায় বানাতেই হবে আর তাই ঠিক করেছি এইভাবেই রিয়েল লোকেশনে রিয়েল টাইমে মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে শুট করব। আপনাকে দিয়েই আজ শুরু করলাম শান্তিপ্রিয়া। আপনি যখন ফেসবুকে মশগুল ছিলেন তখনই আমি গাড়ীতে কয়েকটা ক্যামেরা আর মাইক্রোফোন ফিট করে দি। আপনার অন্যমনস্কতার সুযোগ নিয়ে মেসেজ করে কিছু টাকার লোভ দেখিয়ে ড্রাইভারকেও হাত করি। ক্লোরোফর্মের প্রয়োগ খুব স্বল্পমাত্রায় করা যাতে আমার কাজও হয়ে যায় আর আপনার জ্ঞানও ফেরে তাড়াতাড়ি। আপনার ব্যাগ ঘাঁটতে গিয়ে আপনার পরের গল্পের পাণ্ডলীপিটা পেলাম।ভালো লাগলো পড়ে। যেমন লেখা আপনার প্যাশন তেমনি সিনেমা আমার।তাই হয়তো ঝুঁকি নিতে পারলাম। আশা করি আপনি বুঝবেন।ফ্যানিংসের পরিমাণটা একটু কম করে দিলাম;রাগবেন না যেন। ও হ্যা বলতে ভুলে গেছি, আমার নাম কিন্তু জ্ঞানমণি নয়,ওটা অন্য একজন বুক করে দিয়েছিল।ভাল থাকবেন। শুভরাত্রি।'
না আর পুলিশে যাই নি। দুইদিন পরে কেউ এসে বারান্দা দিয়ে একটা খাম ছুঁড়ে চলে গেছিলো। পেনড্রাইভটা চালিয়ে দেখি সেই রাতের ভিডিও যেখানে অজ্ঞানরত অবস্থায় আমার দেহ ক্রমাগত ছুরিকাঘাতে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে;আর ড্রাইভারও মৃতাবস্থায়।একটা চিরকুটও সাথে ছিল অবশ্য, যাতে লেখা ‘চিন্তক চাইলে ওই রাতের বিবরণী দিতেই পারে; আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার আসল পরিচয়টা আপাতত উহ্য রইল পরে সিনেমা হলে গিয়ে না হয় জেনে নেবেন।‘ আমার ঠোঁটের কোণায় এক চিলতে হাসি খেলে গেল।

Thursday, 16 April 2020

April 16, 2020

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র এবং মহালয়া Virendra Krishna Vadra and Mahalaya Bengali Story


শনি রবিবারেও রাস্তার ভিড় চোখে পড়ার মতো | রাস্তায় নির্বাক দাড়িয়ে থাকা সারি সারি গাড়ি গুলো বোধয় তার ই প্রমান দেয় | সামনে লাল আলোর সিগন্যাল | তাই চুপটি করে চার পায়ে দাঁড়িয়ে অজস্র গাড়ির ভিড় | অজস্র মানুষের ঢল ওই রাস্তা পারাপারে ব্যস্ত এখন | ৫ দিন ঘর্মাক্ত অফিস এর পরও, বাঙালি আজ আর ঘুমোতে চায়না | চির আলস্য কাটিয়ে আজ তারা রাস্তায় নেমেছে পুজোর শপিং এ | কেউ গড়িয়া, কেউ শ্যামবাজার যে যার পছন্দের জায়গায় কেনাকাটা করতে ব্যস্ত | পুজো এগিয়ে আসছে যে দ্রুত | তা শুধু বাঙালির চিন্তনে নয়, কুমোরটুলির শিল্পীর হাতের গতি লক্ষ করলেও বোঝা সম্ভব |
আর কদিন পরেই মহালয়ার সকালে ঘোষিত হবে দেবীপক্ষের শুভারম্ভ | সবাই আরো উদ্বেলিত হয়ে অপেক্ষার দিন গুনবে | টেলিভিশন স্ক্রিন এ মুখ ঢুকিয়ে দেবে, মহিষাসুর বধ দেখার আসায় | আমার ও ছোটবেলা এরকম ই ছিল | এরকম একটা অপেক্ষা ও ছিল | ভোর রাতে রেডিওর সেট টা খুলে, বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের গলার আওয়াজ এর অপেক্ষায় রইতাম | এই তো শুরু হবে - "আশ্বিনের শারদপ্রাতে জেগে উঠেছে আলোকমঞ্জীর....." | মহিষাসুর মর্দিনীর এই কাহিনী কতদিন ধরে চলে আসছে, রেডিওর সাথে সাথে, ওনার কণ্ঠ ধরে | সেই কণ্ঠ যেন আজ ভাসে কানের মধ্যে | অথচ কী নিষ্ঠুর ভাবে একদিন, তাকে না জানিয়েই মহালয়ার 'মহিষাসুরমর্দিনী' শুরু হলো উত্তম কুমার কে দিয়ে | ১৯৭৬ সালের সেই দিনের পরিবর্তিত স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন তৎকালীন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রধান ডঃ গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় | অথচ অনুষ্ঠান একেবারে ফ্লপ | জানিয়ে করলে হয়তো , উনি এব্যাপারে উৎসাহই দিতেন | উত্তম কুমার অবশ্য তার কাছে আগেই থেকেই নিজের অক্ষমতার কথা জানিয়েছিলেন | বড়ো মনের পরিচয় দিয়ে তিনি বাঙালির মহানায়ক কে আস্বস্ত করে,আরো উৎসাহিত করে তোলেন | কিন্তু এত কিছু সত্ত্বেও বাঙালির মহালয়ার আবেগের মধ্যে ঢুকতে পারেননি মহানায়ক |
এরপর ই ঠিক হয়, ষষ্ঠীর দিনে তিনি 'মহিষাসুরমর্দিনী' আবার পাঠ করবেন | মহিষাসুরমর্দিনী এবং তার বেতারকণ্ঠ বোধহয় অবিচ্ছেদ্য, চিরকালীন | যতই দুঃখ পেয়ে থাকুন না কেন, তিনি আবার নতুন উদ্দমে নেমে পড়েন নিজের কাজে | রেকর্ডিং করে প্রোগ্রাম শোনানোর রীতি ছিল না তখন রেডিও তে | সব প্রোগ্রাম ই লাইভ হতো | সুর করে সংস্কৃত শ্লোকের মতো করে পড়ার রীতি তখন ও শুরু করেননি তিনি | রেকর্ডিং রুম এ ছিলেন বাণীকুমার | হটাৎ ই বাংলার মতো করে পড়তে পড়তে, তিনি সংস্কৃত স্তোত্র পাঠের মতো করে পড়তে শুরু করেন মজার ছলে | কিন্তু বাণীকুমার বেরিয়ে এসে বলেন, ভালো লাগছে | এইভাবেই চলুক | তিনি আবার একই ভাবে শুরু করলেন “দেবী প্রসন্ন হলেন...।” তারপর তো পুরোটাই ইতিহাস | আজও শুনে আসছি সেই একই সুরে ওনার 'মহিষাসুরমর্দিনী', প্রতি মহালয়ার অতি ভোরে |
১৯২৭ সালে কলকাতার গার্স্টিন প্লেস এ শুরু হয় অল ইন্ডিয়া রেডিওর কলকাতা কেন্দ্র | কিন্তু এই কেন্দ্র কে তো ফুলে ফলে সুসজ্জিত করেছিলেন তিনি ই | তিনি তো শুধুই চন্ডীপাঠ করেই বিখ্যাত হননি | তিনি ছিলেন একাধারে লেখক, নাট্যকার, স্ক্রিপ্ট রাইটার, অভিনেতা, ব্রডকাস্টার | রেডিওর নাটক কে তিনি এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিলেন | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, কলকাতা যখন তার ব্যক্তিসত্তা হারিয়েছে, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্তিম পর্বে এসে কলকাতা যখন তার প্রাণ হারিয়েছে, তখন ই তিনি 'বিরূপাক্ষ' ছদ্দনাম নিয়ে এক ব্যাঙ্গরসের আসর বসান | প্রতি রবিবার দুপুর ১টায় এই অনুষ্ঠান পরিবেশন করতেন যার নাম 'বিরূপাক্ষের আসর' | এক ঝড় বৃষ্টির সন্ধ্যায় প্রথম ও দ্বিতীয় কোনো আর্টিস্ট ই উপস্থিত নেই | সেই অবস্থাতেও প্রোগ্রাম বন্ধ হতে দেননি | প্রথমে পিয়ানো বাজিয়ে আর তারপর রবীন্দ্র সঙ্গীত গেয়ে শোনান | কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর শোকযাত্রাও ধারাবিবরণী দিয়ে শোনান বেতার জগৎ এর মাধ্যমে | বহু শ্রোতা ওই ধারাবিবরণী শুনে অশ্রুস্নাত হয়েছিলেন | একাত্ম হয়েছিলেন কবিগুরুর ভাবনার সঙ্গে |
অথচ এহেন ব্যক্তিত্বের ভাগ্যে কী জুটলো ? স্টাফ আর্টিস্ট হয়েই অবসর গ্রহণ করলেন, তাই পেনশন ও জুটলো না | জীবনের শেষ বেলায় এসে শুধু একরাশ অভিমান বুকে নিয়েই থেকে গেছেন | সংসার চালানোর জন্য এদিক ওদিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে গিয়েছেন | শেষকালে স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ায়, আকাশবাণীর শেষ অনুষ্ঠান থেকেও তাকে বেরিয়ে যেতে হয় | এভাবেই একরাশ বেদনা নিয়ে ১৯৯১ সালে তিনি বিদায় জানালেন এই পৃথিবী কে |
দেবী দূর্গা কে তো বাঙালিরা মাতৃত্বের অন্যরূপ হিসাবে দেখতেই বেশি অভ্যস্থ | মা কে যেভাবেই ডাকি না কেন উনি আসবেন | তবুও যেন, ওনার ডাকার মধ্যে আলাদা এক মাধুর্য অনুভব করা যেত | ফিরে আসেন তিনি বারবার মহালয়ার পুন্য তিথিতে | ভোরবেলায় বাবা ডেকে দিতেন ওই মহালয়া শোনবার জন্য | টেলিভশন এর প্রোগ্রাম টার জন্য মুখিয়ে থাকতাম, কিন্তু তা অনেক পরে শুরু হতো | হালকা শুয়ে, ঘুমিয়ে কিছুটা কানের মধ্যে আসতো বারবার | রেডিওর বেশির ভাগ পর্বই যেন অবুঝ হয়ে থাকতো আমার মনে | কিন্তু কেন জানিনা আজও ওই আওয়াজ ভোলবার নয়, এখনো তাই প্রতি বছর অভ্যাস বশতই মহালয়ার দিন কাকভোরে রেডিও খুলে বসি | ছোটবেলায় না বুঝলেও এখন যেন একটা আবেগতাড়িত টান অনুভব করি রেডিওর প্রতি | তিনি তো শুধু এক প্রজন্ম নয়, বহু প্রজন্মের জন্য দেবী বন্দনা করেছেন | তার আওয়াজ এই তো বাঙালির পুজোর আগমন বার্তা শুরু হয় | হয়তো আগামী প্রজন্ম ভুলে যাবে তার দান, রেডিও তে সোনা হবে না "যা দেবী সর্বভূতেষু ....", তাও তিনি ইতিহাসের পাতায় এক অবিশ্বরণীয় চরিত্র হিসাবেই বেঁচে থাকবেন |​
আভিজাত্যের মোড়কে আবার আমার শহর ব্যস্ত হয়ে উঠেছে | হাজার হাজার কার্বন কণিকার ধোঁয়া উড়িয়ে সবাই আজ উন্নতির ধ্বজা তুলে ধরতে আগ্রহী | এর মধ্যেও কোনো তারাপদ জ্যাঠা হয়তো খাটের তলা থেকে ধুলো ঝেড়ে বের করে আনবে তার অযত্নের সঙ্গী রেডিও টাকে | মহালয়ার কাকভোরে আবার হয়তো বীরেন্দ্রকৃষ্ণ নেমে আসবেন তারাপদ জ্যাঠার বাড়ি | চন্ডীপাঠ করে যাবেন সুরে সুরে, সেই আগের মতো | পুজোর আগমনী বার্তা দিয়ে যাবেন সবার কানে কানে | কদিন পরেই তো আবার পুজো ! জিলিপির দোকানে ভিড় করবে খুদে বন্ধুরা, ম্যাডোক্সে পেপার পেতে বসে আড্ডার পসরা সাজাবে, হাজারো অচেনা বন্ধু, শত সহস্র পায়ের তালে তালে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে মানুষের ঢল নামবে | আবার তিনি হারিয়ে যাবেন আরেকটি বছরের জন্য !
April 16, 2020

love story bangla new romantic sad original Story 2020


অসমাপ্ত প্রেমের কাহিনি


আমার এই গল্পে ভালবাসার সত্তিকারের কাহিনী লিখে পাঠকদের জানাচ্ছি একটু শান্তি পাব বলে, তবে শান্তি দেয়ার একমাত্র মালিক আল্লাহ, এগুলো মনের আক্ষেপ আর আবেগ মাত্র। আমি আমার জীবনের ঘটে যাওয়া কাহিনী যেমন লিখলাম তেমনি আপনাদের জীবন কাহিনীও এই ভাবে ইন্টারনেটে লিখে দিতে পারেন। কিভাবে দিবেন সম্পূর্ন বিবরন নিচে দেওয়া আছে। আমার গল্প অনেক বড় তাই যদি পড়তে না পরেন কোন সমস্যা নেই এটা শুধু আমার সৃতি করে রাখার জন্যে এত বড় করেছি। তাই নিচে গিয়ে দেখুন আপনার গল্প কিভাবে আপনি এই ওয়েবসাইটে দিতে পারেন।পড়ার ধয্য না থাকলে যাতে হারিয়ে না ফেলেন আপনার সুবিধার জন্য প্যারা আকারে লিখছি মানে এক দুই নাম্বার দিয়ে। শুরু করছি আমার জীবনের কানিনী লিখতে। আমার এই কাহিনী পরে আপনাদের মনে যদি কোন প্রশ্নের উত্তর খুজে পান অবশ্যই আমাকে জানাবেন কমেন্টের মাধ্যমে।শুরুতেই আমার পরিচয় দেই। আমার নাম শাহারিয়া আহাম্মেদ, ডাক নাম রাজু। আমরা তিন ভাই, কোন বোন নেই। অনেক ছোট বেলায় আমার মা মারা যায়।আমার মায়ের প্রথম ও শেষ সন্তান আমি। পরে আমার দ্বিতিয় মায়ের আরো দুই ভাই জন্ম নিয়েছে।


love story bangla

LOVE STORY BANGLA


অনেকে বলে আমার জন্মের পর আমার বাচার হাল ছিল না। আল্লাহুর অশেষ কৃপায় আমার বৃদ্ধ দাদীর বুকে দুধ নেমে আসে আর আমি তা খেয়েই বড় হই। অনেকে ভাবতে পারেন গাভীর দুধ খাওয়ালেই তো হত কিন্তু আমার ডায়রিয়া হয়ে মরার অবস্থা হত বলে খাওয়াতে পারত না। আমার মা মারা যাবার পর বাবা পাগলের মত ঘুরে বেড়াত বলে আমার ছোট চাচা আমাকে তখন থেকেই তার সন্তানের মতই বড় করে তোলেন। এক বছর বয়স থেকে আমি ছোট চাচার পাশে। আমার বয়স এখন তেঁইশ বছর, এর বাইশ বছরই চাচার পাশেই খেয়ে দেয়ে বড় হয়েছি। মুটামুটি সকলের কাছেই আমি অনেক আদুরে বড় হয়েছি। আমার দাদির ভালবাসায় আমার মা হারানোর কষ্ট বুঝতে পারি নাই। শুনুন আমার ঘটে যাওয়া প্রেম কাহিনী। প্রতিটা প্রাণীই প্রেমের জন্য জোরা হয়ে
 দুনিয়াতে এসেছে। যাকিছু প্রাণী আছে সকলেরই স্ত্রী রুপ রয়েছে। প্রকৃত ভালবাসা আল্লাহু মানুষের মাঝেই দিয়েছেন। কারন সৃষ্টির সেরা প্রাণী মানুষ। আমি একটা মেয়েকে ভালোবেসেছি বলতে পারেন আমার অপরাধ কোথায়? ভালোবাসা তো পবিত্র।আমি অনেক আবেগী একটা ছেলে। মনেহয় মহান আল্লাহ আমার অন্তরে অন্যান্য মানুষের জন্য অনেক ভালবাসা দিয়েছেন। মানুষ মুলত আবেগের হয় বেশি বিষেশ করে প্রেম-ভালবাসার বিষয়ে। আবেগে থাকা অবস্থায় তার আচরণ বাচ্চাদের মত হয়। আমি যখন ভাল-মন্দ বুঝতে শিখলাম তখন আমার একটি মেয়েকে ভাল লাগত।আমি শুধু শুনেছি ওর চেহারা নাকি ওতটা সুন্দর না কিন্তু আমি আজওব্দি ওর মত এত শুন্দর মেয়ে খুজে পাই নি সেটা হল চরিত্রের দিক
প্রথম খন্ড থেকে।ওর অনেক সুন্দর চেহারা। আমার মনে হত এই পৃথিবীর সমস্ত সুখ ওকে দেখলেই পাই।আমি ওকে আসমানের থেকে বেশি জায়গা আমার মনের মাঝে রেখে দিয়েছি। আমি একটু বোকা টাইপের ছিলাম। আমি নিজের প্রতি নিজের জত্ন করতে পারতাম না বিধায় একটু অপরিস্কার থাকতাম, মানে আনস্মার্ট হয়ে।আমি যে মেয়েটিকে ভালোবাসি ওর নাম আছিয়া। আমি আছিয়াকে ভালবাসি তখন আমার বয়স তের কি চৌদ্দ।আছিয়াকে অনেক দিন হয়ে গেল মনের কথা মনেই চেপে যাচ্ছি কিন্তু বলার মত সাহস পাচ্ছি না। সরাসরি প্রস্তাব দেয়ার মত আমার সাহস নেই। তবে আমি কখনো ভাবতাম না যে, আছিয়া আমাকে না করবে। কারন আমি সব সময় ভাবতাম দিনে বার ঘন্টার প্রায় নয় ঘন্টা যার কথা ভাবি সে আমাকে অবশ্যই ভাল বাসবে। আমি আমার মনের ভালবাসার কথাটা জানালাম পাশের বাড়ির এক আন্টির কাছে। সে আমাকে আশ্ছাস দিয়ে বলল ঠিক আছে চাচা তুমি একটা চিঠি লিখ, দেয়ার দায়িত্ব আমার। আমি খুশিতে আত্মহারা, কারন প্রায় এক বছর ধরে যে কথাটা বলতে পারিনি সেটা আমি বলতে যাচ্ছি চিঠিটার মাধ্যমে। তখন আমি খুব ভিতু ছিলাম এবং আমি দশম শ্রেণীর ছাত্র আর আছিয়া অষ্টম শ্রেণীতে পরে।সামনে আমার এসএসসি পরিক্ষা। আমি পরায় খুব অমনোযোগি ছিলাম। কারন ছিল আমার ভিতর আছিয়া শব্দটি সবসময়ের জন্য সরতো না।আমি আছিয়াকে নিয়ে অনেক ভাবতাম আর আয়নার সামনে গিয়ে প্রাকটিস করতাম কোনভাবে প্রপোজ করলে রাজি হতে পারে।কিন্তু এখনতো চিঠিতেই লিখবো তবে আমি তেমন অন্য কোন বন্ধুদের সাথেও মিশতাম না তাই কিভাবে চিঠি লিখব তাও জানতাম না আর এর জন্যই আনস্মার্ট। পাগলের মত গনিত খাতায় এপিঠ ওপিঠ দিয়ে চার পিষ্ঠা ভরে লিখলাম মানে মোট গিয়ে দাঁড়ালো আটঁ পিষ্ঠা। মনে হল মহান নেতা শেখ মুজিবের ভাষন লিখলাম। আমিতো লিখে খুব খুশি যে এবার প্রেমটা করা শুরু হল মাথায় এই চিন্তা নেই যে প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান ওত করতে পারে এর কারন একটাই আমার মনটা ছিল বাচ্চাদের মত সরল। চিঠিটা আন্টি নিয়ে দিল আছিয়ার কাছে।তবে আন্টি আছিয়াকে আমার চিঠি লেখার কথা আগেই জানিয়ে রেখেছিল। আছিয়া সন্মতি দিয়েছিল বলেইতো চিঠি লিখে ছিলাম তানাহলে আবার চিঠি লেখা, কোনো দিনও সাহস পেতাম না। আছিয়ার কথা একটু বলি ও পঞ্চম শ্রেণীতে বিত্তি পেয়েছে কিন্তু ও অনেক চালাক ছিল। সব ধরনের মেধা ওর ছিল। ও পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত আমাদের বাড়িতে আমার চাচির কাছে প্রাইভেট পরেছে, যে চাচার পাশে আমি বড় হয়েছি তার ওয়াইফ।আমি ওকে ভালোবাসি বলে মনে হত ও বিত্তি পায়নি পেয়েছি আমি। একই গ্রামে দুজনের বাড়ী মাঝে এক কিলো দুরত্ব। বুঝতেই পারছেন চোখের সামনে তির তির করে বড় হয়েছি আমরা দুজন।প্রাইভেট পরার সময় ও পরিস্কার আর আমি অপরিস্কার খেলাম চাচির বেতের বারি। ও ভালো পরা পারে আমি কেনো পারি না খেলাম বারি। ওর জামা কাপড় পরিস্কার আর আমি অপরিস্কার খেলাম বারি। ওর হাতের লেখা সুন্দর আমার টা লাইন

২য় খন্ড ব্যাকা খেলাম বারি। ও পঞ্চম শ্রেণীতে পরে আর তিনবার কুরআন শরিফ খতম দিয়েছে আর আমি কেনো ছিপারা ছারতে পারলাম না খেলাম বারি। এভাবেই ওর সুনামের জন্য আমি মার খেতাম। ওর ভাল গুণ শুনতে শুনতে মনের ভিতরে প্রথমে রাগ থাকতো তার এক বছর পর থেকেই মনে মনে অনেক ভালবেসে ফেললাম।সেটা প্রকাশ করছি চিঠির মাধ্যেমে এত আনন্দ কোথায় রাখি বলেন তাই আট পেইজ লিখে ফেললাম এক রাতেই। আরও মনে হয় আট পেইজ লিখলে লিখলাম কিন্তু রাত বেশি হওয়ার কারনে লিখলাম না। হাই স্কুলে যখন দশম শ্রেনীতে পরি তখন আমাদের হাই-স্কুলের এমের ছারের নিকট দুজনে একই সময়ে প্রাইভেট পরি।আমি দশম শ্রেনী আর ও অষ্টম শ্রেনী। এরই মাঝে একটা ছবিতে দেখলাম নায়ক যখন নায়িকাকে দেখে তখন ভয়ে নায়কের হাত থেকে বই নিচে পরে যায় বলে নায়িকা বান্ধবিদের নিয়ে হাসা হাসি করে তাই দেখে নায়কটা অনেক মজা পায়। ঠিক একই কাহিনী করে ওদেরকে হাসাতে পারলাম বলে নিজেকে নায়ক মনে হচ্ছিল। এদিকে ওরা ঝোকার মনে করে হাসছিলো কিনা সেটা আর মাথায় ঢুকলো না। সেদিন স্যার স্কুল ছুটি দিয়ে আসায়ও দেরি করলো বিধায় ব্যাগ রেখে বাইরে এসে দাড়ালাম আমি একাই। দেখি আছিয়া সহ ওদের বান্ধবি আমার পাশে এসে দাড়ালো। আমি আছিয়ার চোখের দিকে তাকালাম দেখে আছিয়া বেশ লজ্জা পেল আর মিট মিট করে হাসতে লাগলো। আর আমাকে আটকায় কে, আমি লজ্জায় আকাশ ভাঙ্গার অবস্থায়।মনে হল ও ছেলে আর আমি মেয়ে হয়ে গেছি।কারন প্রথম চিঠি দেওয়ার পর দেখা হল। মুহুর্তটা যখন অতি আনন্দের ছিল ঠিক তখন(কথায় আছে সুখের পরেই দুঃখ আসে হাসির পরেই কান্না)। আছিয়ার এক বান্ধবি আমার দেওয়া চিঠিগুলো বের করে জোরে জোরে আমাকে শুনিয়ে পরতে লাগলো। আমি আবার দুঃখ আটকে রাখতে পারতাম না, কোনো কাজে কষ্ট পেলে সাথে সাথে মেয়েদের মত কেদে ফেলতাম। সত্তি কথা বলতে ওই জীবনটায় সাদা মনের খাটি মানুষ ছিলাম। সাদা মনে কাদা লাগলে যা হয় তাই হল। আমার প্রথম জিবনের প্রথম ধাক্কায় রেগেমেগে আলাদা যায়গায় গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরলাম। আর মেয়েদেরকে ঘৃণা করতে লাগলাম।মনে মনে আমি সব কিছু ভুলে গেলাম যে আর প্রেম করার কথা মুখেও আনবো না। কয়েক দিন পর আমার ফেরত চিঠিটা আর সাথে ডায়রিতে লেখা একটি পেইজে আমার জন্য চিঠি আছিয়ার তরফ হতে। আমি দেখে আকাশ থেকে পড়লাম। বুক ধরপর করছিলো এমন ভাবে মনে হয়েছিলো সাউন্ড বক্সের সামনে পিপরা আমি। গভির রাতে পরা শুরু করলাম। আমাকে লিখেছে আগে পরিক্ষা ভালভাবে দেন তারপর দেখা যাবে এবং আরো ভালো ভালো কথা কিন্তু এগুলো আমার কাছে বিষের মত মনে হলো। প্রেমের কোন কথা পেলাম না বলে এত রাগ হল নগদ আমার চিঠি সহ আছিয়ার দেয়া চিঠি সব ছিরে ফেললাম। কদিন পরেই চিঠি ছিরে ফেলার আফসোস করলাম আর বুজলাম এই আফসোস সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে। আমি মোটেই ভালো ছাত্র ছিলাম না কিন্তু
৩য় খন্ড আছিয়া ভাল ছাত্রী ওর মত তো হতে হবে। তার পরে আবার চিঠিতে লিখেছে আগে এসএসসি পরিক্ষায় পাশ করেন, তাই চার মাস খুব পরে আসা করার থেকে অনেক ভালো ফলাফল পেলাম। এসএসসি পাশ করার পর অনেক আনন্দে আছিয়াকে মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য স্কুলে খবর পাঠালাম কোন একজনকে দিয়ে আর আমি বাজারে দাড়ানো ছিলাম। আছিয়া আসলো বাজারে আর, রুক্ষ গলায় মানে রেগে বলল আপনি কি পাগল নাকি, যে আপনি মিষ্টি খাওয়াবেন আর আমি সেই মিষ্টি খাব। (আবার সাদা মনে লাগলো কাদা) বলার সাথে আর দেরি না করে দুরে গিয়ে মেয়েদের মত কান্নায় ভেঙ্গে পরলাম। সে কান্না কয়েকদিন ব্যাপি চলল। ভাবলাম আমি আর কখনই ওর সামনে যাব না। আমার আবার খুব রাগ হলেও দশ দিনের বেশি রাগ থাকে না। যার জন্য রেগে সেটা গ্রহণ করি না কিন্তু দশ দিন পর আবার সেটার জন্যই আফসোসে পাগল হই। তাই আবার একা একা ওকে ভুলে গেলাম আবার কিছুদিন পর পাগলের মত ওকেই মনের মধ্যে ভালবাসতে লাগলাম। আমার জিবনে আছিয়াকে কলিজার বাইরে রেখেছি খুব রাগ হলে দশ দিন। আমার এর পরে আর আর আছিয়ার সাথে কথা বলার সাহস হয় নি এক বছর এই বিষয় নিয়ে। দেখা হলে শুধু কেমন আছো আর কিছু না। ওকে ভালোবেসে যাব কিন্তু ওর সাথে কথা বলবো না, মনের মাঝে এরকম কিছু কাজ করতো। তাই প্রত্যেক দিন ওর স্কুল ছুটির সময় রাস্তায় থাকতাম কিন্তু কথা বলতাম না ওকে দেখাতাম যে আমি ওকে দেখেই রেগে চলে যাচ্ছি। লোকসান টা যে আমারই হচ্ছে সেটা আর বুঝতাম না। তাই বোবার মত শুধু দেখেই সান্তি পেতাম কথা বলতাম না। কথায় আছে না পাগলের সুখ মনে মনে ঠিক এরকমই হয়েছিল আমার ব্যাপার টা। ও এসএসসি পরিক্ষা দিল আর আমি আটকা পরে গেলাম চাচার দোকানে পার টাইম মানে সকাল টু সন্ধা। ওকে না দেখতে পেরে পাগলের মত আচারণ করতাম সবার সাথে। আমি কলেজে পরি কিন্তু কলেজে জাওয়ার মত সুজোগও হয় না। তাই চাচার দোকানে লালবাতি জালিয়ে দিলাম মানে ঔষধের দোকানের মালামাল আর নেই বাকি দিতে দিতে। ব্যাচ দোকান একেবারে বন্ধ করে দিতে হলো মাত্র এক বছরের মত থাকার পর। আছিয়া এসএসসি পরিক্ষা দেওয়ার আগে ঠিক করলাম আমি আমাদের কলেজ হষ্টেলে থাকবো কারন এইচএসসি তো পাশ করতে হবে।তাই অনেক দিন পর এ ব্যাপারে আছিয়ার সাথে কথা বলতে যাচ্ছি। ও স্কুল থেকে আসার মাঝ পথে দেখা হল আর আমি মনে হল ওকে ছেরে যেতে পারবো না। কিন্তু যেতে যে হবেই। যেই না বললাম চলে যাচ্ছি ম্যাচে আর আমাকে আটকায় কে বাচ্চাদের মত কাদতেঁ সুরু করলাম।আমি আবেগে মনে হচ্ছিল ওকে ছেরে চলে যাচ্ছি ওনেক দুরে তাই কাদঁছিলাম। ওরা তো অবাক হয়ে গেলো আমি এরকম ভাবে কাদছি কেনো।ওরা বলল কাদছেন কেনো। প্রিয় পাঠক বলছি আমি এই প্রথম বার আছিয়াকে ছেরে দুরে কোথাও থাকতে যাচ্ছি বলে কেদেছিলাম। আমার মনে হত দুরে গেলে ওকে বুঝি চির তরে হারিয়ে ফেলেছি। যদি ছুটি
৪র্থ খন্ড গল্পটি পরে থাকেন বুঝবেন আপন মানুষ ছেরে গেলে কি কষ্ট হয়।আর ওকে আমি কখনই পর বা আরো চোখে দেখিনি। ওরা আমাকে বলতে লাগলো কান্নার কি আছে আমি তখন বললাম এটা বুঝবা না বলেই আর কোন কথা না বলে চলে গেলাম বাজারে দিকে। তার কিছুদিন পর ম্যাচে গেলাম ব্যাচ এক সপ্তাহ পর পর বাড়ি আসি আর বাড়ি থেকে রাগারাগি করে। বলতে লাগলো ম্যাচে গিয়ে থাকতে পারিস না বাড়ির টানে আবার বিদেশ যাবি। কিন্তু বুঝলো না যে কিসের টানে বাড়িতে আসতাম। এর মাঝে ওকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছিলাম দুরে গিয়ে থেকে। তাই আর বেশিদিন ম্যাচে না থেকে বাড়িতে চলে এলাম।কারন ওর একটা গুন ছিলো সেটা ও কারনে অকারনে আমাকে দেখে হাসতে শুরু করলো। হাসবেই না কেনো এক-দেড় বছর হলো প্রপোজ করেছি কিন্তু আমার মুখে বা সরাসরি কোন ভাবেই নিজে গিয়ে বলিনি যে আমি তোমাকে ভালোবাসি। কারন আমি ছিলাম কথায় এবং বাস্তবে বোকা ও আনইস্মার্ট। তাই ওকে দেখলেই ভয়ে আমার হার্ট কাপতে সুরু করতো কারন রাস্তায় আমাকে একা পেলেই ও আর ওর বান্ধবি মিলে হাসা সুরু করতো। ভাই কি বলবো আমার মনে হয় তখন যে হাসিটা দেখতাম ওর মুখে এখন আর বলতে প্রায় পাচঁ বছর ওর মুখে এরকম হাসি দেখিনাই। বাচতবেও অন্য কোনো মেয়েকে ওরকোম ভাবে মনখুলে হাসতে দেখিনি। একবার আমাকে পাগলের মত রাস্তায় দেখে ওদের দুই বান্ধবি হাসতে হাসতে পেট ধরে বসে বসে হাসতে লাগলো। ভাই সেই হাসি আজও মনের মাঝে বেজে চলছে। বিঃদ্রঃ আমি ওর সামনে বোকার মত যেতাম ওকে হাসানোর জন্য কারন আমি আরিয়ার মিঃ পারফেক্ট ছবিতে দেখতাম ও বোকার মত থাকতো বলে প্রেমটা হয়। এভাবে চলতে থাকে বেশ কিছুদিন কোন কথা না বলেই একদিন হটাৎ দেখি ওরা দুজন আমি যেখানে দাড়ানো সখানেই আসলো। এসে বললো ওর বান্ধবি, ভাইয়া আপনার এডভান্স গাইডটা দেবেন আমার নাই তাই না করে দিলাম।ওরা আসা করে এসেছিলো আমার না থাকলে ম্যানেজ করে তো দিবে কিন্তু ভয়ে সত্যিকথা বেরিয়ে গেছে। এইজে ওদের বই না দিতে পারার আপসোস আমার মনে হয় মনের মধ্যে যতকাল বেচে থাকবো ততকাল থেকে যাবে। ওপরিক্ষা দিয়ে পাশ করলো কিন্তু এ-প্লাস পেলো না তাই ও অনেক কান্না করলো। কিন্তু আমি যানতাম না যে ও কান্না করছিল তাই না জেনেই আমার বন্ধুদের মিষ্টি খাওয়ালাম আমি। ওর চেহারাটা তামিল নায়িকা তামান্নার মত প্রায় একই। তামান্নার বয়স ওর থেকে বেসি তাই তামান্নার সাস্থ্যটা একটু বেসি আর আছিয়া চিকনা। কিছুদিন পর ও একটা নিজের কাছে রাখার জন্য মোবাইল কিনলো আর একটা সিম কিনলো যেদিন ঠিক সেদিন না মনেহয় তার একমাস পর নাম্বার পেয়েই মনে হলো ওকেই কাছে পেয়ে গেলাম। কিন্তু ফোন করার সাহস পাই না। আবার রাগ হচ্ছিল মেয়ের হাতে ফোন যদি অন্যান্য ছেলেদের সাথে কথা বলে। এভাবে দুই তিন মাস কেটে গেলো তার পর কয়েকটা বন্ধুদের নিয়ে সাহস করে ফোন দিলাম ও
৫ম খন্ড ফোনটা পেয়ে আসতে আসতে কথা বলতে লাগলো আর সাথে বললো রাত্রে ফোন দিয়েন। আমি ফোন কেটে দেয়ে খানিকটা নাচা সুরু করলাম। আমার বন্ধুরা সবাই অনেক খুশি আর আমি পরের ফোন করার অনুমতি পেয়ে সবাইকে খাওয়ালাম।এই বন্ধুদের জানাজানি বিষয়টা আছিয়া কিছু জানে না জানলে কথাই বলত না ভয়ে(মানুষ যখন ভুল করে তখন সে আবেগে থাকে আর আবেগ চলে গেলে বিবেক এসে সারাটা জীবন ভুলের খেসারতের জন্য কাঁদাতে থাকে)। মোবাইলে অনেক টাকা ভরে রাতে ফোন করলাম তখন অন্যরকম কথা বলতে লাগলো। আসতে আসতে করে বললো, আর আমাকে ফোন কইরেন না আমার আব্বু আম্মু শুনলে আমাকে মেরেই ফেলবে। আমি তখন ব্যাপারটা ম্যানেজ করতে গিয়ে আমাকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। ওকে আমার মনের কথা বুঝাতে না পেরে কেঁদে ফেললাম এবং ও শুনলো আমার কান্না সাথে বন্ধুরাও শুনলো। তারপর আছিয়া বললো ঠিক আছে মাঝে মাঝে ফোন দিয়েন। অনুমতি পেয়ে মাঝে মাঝে ফোন দিয়ে আমার মনের কথাগুলো বলতাম আর ও শুনতো কিন্তু ও খুব চালাক চতুর থাকায় ও আমাকে ভালোবাসে কিনা সেটা বলতো না। তাই আমিও আর জোরাজুরি করতাম না। প্রায় একবছর নেশার মত কয়েকদিন পরপর কথা বলে গেলাম ও বলতো আমার জিবনে এই প্রথম মোবাইলে কোনো ছেলের সাথে কথা বলছি আর বলত আপনার সাথে কথা বলে চোরের মত আসতে কথা বলা শিখেছি। এর মাঝে ও আমাকে কতটা ভালো বেসেছে সেটা বুঝতে পারিনি ঠিকি কিন্তু আন্দাছ করেছিলাম যে ও আমাকে আমার মত অনেক মিছ করে। আর এই ভুল আন্দাজ করাটাই ছিলো আমার জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল। এইটা ভাবার জন্যই আমি ওকে আমরণ ভালোবেসে ফেলেছিলাম। এভাবেই আরও বেশ কিছুদিন কথা বললাম কিন্তু ভাবিনি আমি আর এভাবে বেশিদিন কথা বলার যগ্যতা রাখতে পারছি না। কারন মেয়েদের বারবার ভালোবাসি ভালোবাসি কথাটা শুনতে ভালোলাগে না ওরা সবসময় নতুন কিছু পেতে চায়। কিন্তু আমি আগে অন্য কোনো মেয়ের সাথে কথাই বলতে পারতাম না আছিয়াই আমার জীবনের প্রথম তো তাই কিভাবে মেয়ে পটাতে হয় সেটা বুঝতাম না এমনকি কিভাবে ভালোবাসলে ওর কাছে ভাল থাকা যায় বা মন পাওয়া যাবে সেই সাধারণ জ্ঞানটুকি নেই। এক পর্যায়ে এভাবে কথা বলতে বলতে আমার কোনো কথা ওর ভালো লাগে না। তাই ওকে ফোন করলেই রেগে যায়। তার কিছুদিন পর ও আমাকে বললো আপনার সাথে কথা কি বলবো এখন যা বলছি তা কালকেই শুনবো অন্য জনের মুখে। আমি শুনে আসচর্জ হলাম বন্ধুদের মাঝ থেকে বিশ্বাস ঘাতকতা করছে আমার মন সরল থাকায় বুঝতে পারলাম না কে এই কাজ গুলো করছে। আমার একটা বদ অভ্যাস ছিল ওর সাথে কথা বললে অটোরেকোর্ডিং অন করতাম। তবে সেটা আছিয়ার মুখে এই কথা শুনার অল্পকিছুদিন আগে থেকে করতাম। আরেকটি বদ অভ্যাস ছিল সারা রাত এগুলো রিপিট করে করে শুনতাম আর যেখানে একটু মজা করে গল্প করেছি সেটা তিন-চারটা বন্ধুদের শুনাতাম। আর এর মাঝেই কথাটা লিক হয়ে আছিয়ার কানে পৌছে দেয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় আজওব্দি ধরতে পারিনি আমার এই বিশ্বাস ঘাতক বন্ধুটাকে। এভাবেই ভুল বোঝাবুঝি চলতে থাকে। এর পর ও আমাকে পরিস্কার ভাবে যানিয়ে দিল আপনি আর আমাকে ফোন করবেন না যদি আমাকে বিশ্বাস করেন তাহলে এতটুকু বিশ্বাস কইরেন আমি কখনওই কোন ছেলের সাথেই প্রেম করবো না। আমি নিজেকে যতটা বিশ্বাস করতাম তার থেকে হাজার গুণ বেশি বিশ্বাস করেছিলাম আছিয়াকে। তাই আমার মনে হল আর ফোন দেওয়া যাবে না কারন বুঝলাম ও প্রেম করবে না আর যদি করে তাহলে আমার সাথেই তো করবে নাহলে আমাকে একথা কেনো শুনাবে। কথা বলা বাদ হওয়ার মাঝে আমাকে একটা আশ্বাস দিয়েছিল আপনি ইনকাম করার জন্য কিছু একটা করেন। সেটা মনেপরে আমি আর বাড়ি থাকবো না তাই বাড়িতে রাগারাগি করে বেডিং পত্র গুছিয়ে ঢাকায় রওনা হলাম আমি আর আমার চাচাত ভাই দেখি কিছু করতে পারি কিনা। কিন্তু আমার চাচাতো ভাই গেলো আমাকে যেতে দিলো না। আমাকে বললো তোর কাজ এদিকেই ঠিক করে দিচ্ছি। আমি বললাম তিন দিন সময় দিলাম যে কাজই হোক না কেনো আমি করবো না পারলে দরকার হয় ঢাকা গার্মেন্স যাব। ঠিক দুই দিন পর ঔষুধের দোকানে কর্মচারী থাকলাম। আমার উদ্দেশ্য হাসিল হল কিন্তু আছিয়ার সাথে কথা বলতে পারছিনা দেখে আমি পাগল হয়ে গেলাম। আবার ওকে সরাসরী ফোন করতে পারছি না কারন যদি ও বলে না করা সত্তেও ফোন করলেন তাহলে মনেহয় আমাকে বিশ্বাস করেন না। তা এখন কি করবো সেটা বুঝতে পারছিলাম না। তাই শিদ্ধান্ত নিলাম ভয়েজ চেন্স করে কথা বলে মনের জালা মিটাবো যেমন চিন্তা তেমন কাজ। কিন্তু রং নাম্বারে যদি কথা না বলে বকা দেয় তাই ওর ফোনে ফ্লাক্সিলোড করলাম। তারপর অন্য ভয়েজ দিয়ে কথা বলার আগে সাহস করে আমার নম্বার দিয়েই ফোন করে নিলাম দেখি ও ফোন রিসিভ করলো। এতদিন পর প্রায় তিন মাস কেটে গেছে কথা বলছি কিন্তু ও বেশি কথা বলল না শুধু বললো আপনি কি আমার ফোনে কোনো টাকা ফ্লেক্সিলোড করেছে আমি বললাম না আর অমনি ও বললো কে যেনো আমার ফোনে টাকা পাঠিয়েছে একথা বলেই রাখি বলে ফোনটা কেটে দিলো আর ফোন ধরলো না। তখন আমি দিশেহারা হয়ে ভয়েজ পরিবর্তন করে কথা বলতে শুরু করলাম, ভুলে আপনার মোবাইলে টাকা লোড হয়ে গেছে সেটা বলে। কি কথা বললাম সেটা বলবো না তবে ওর প্রতি আমার যে বিশ্বাস ছিলো সেটা আর থাকলো না তাই আর শয্য না করতে পেরে পাগলের মত উলটা পালটা বকা দিতে শুরু করলাম আমার আসল পরচয় দিয়ে। কথায় আছে মনটা কাচের মত একবার ভাংলে জতই জোরা লাগানো যায়না কেনো আগের মত মসৃন হবে না ভাঙ্গা দাগ থেকেই যায় সারা জীবন। ও ধরা পরে গিয়ে বাড়িতে নাকি ভাংচুর করে
৬ষ্ঠ খন্ড বলেছে রাজু আমাকে রং নাম্বারে ফোন দিয়ে ডিস্ট্রাব করছে এর একটা বিচার করতে হবে। ওর বাড়ি থেকে আমার বাড়ি লোক আসলো আর আমার গার্ডিয়ানের কাছে বিচার দিলো, আর আমি আমার সমস্ত কথা গোপন রেখে আমার অপরাধ শিকার করে নিলাম। তাই আমাকে ওর মা-বাবার কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসতে হয়েছিলো।ও আমাকে ভুল বুঝলো ও মনে করলো আমি ওকে ছোট করার জন্য এই ফাদ পেতেছি। কিন্তু আমার তো ওর সাথে কিভাবে কথা বলা যায় তার একটা উপায় বের করতে গিয়ে ওর অন্য আরেকটা রুপ দেখে ফেললাম। কিছুদিন পর আবার পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর আমি ওকে ফোন করি। তখন ও আমাকে ভলো ভাবে গ্রহন করলো আর সব কথা বলতে লাগলো ভালোভাবে। আমাকে বললো আমিতো আপনার সাথে এমন কোনো কথা বলিনি, যাতে আমার অপরাধ হবে। আমি বললাম ভুল তো আমার তুমি সত্তিই অনেক ভালো মেয়ে বলে ওকে খুশি করলাম। কিন্তু কি কথা বলেছিলাম ও ভুলে যেতে পারে কিন্তু আমি ভুলবো না মনের দাগ লাগলে সেটা উঠানো যায় না কথায় আছে কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। তবুও ভালোতো বাসি ওকে তাই আছিয়াকে উপরে রেখে আমিই মাথা নত করলাম। কারন আমি ওর ভলোবাসা পাওয়ার জন্য প্রচুর দূর্বল ছিলাম। কয়েকদিন পর আছিয়ার সাথে পরে ওরই একটা ছেলে ফ্রেন্ড এসে অনেক কছম কেটে বললো ভাই বিশ্বাস করেন পারভেস নামে ওর ক্লাসমেট এর সাথে ওর গভির সম্পর্ক ছিলো। ও এমন ভাবে কথাগুলো বললো অল্প একটু বিশ্বাস হল। তাই আছিয়াকে খোলামেলা ভাবে জিজ্ঞাসা করলাম। ও বললো এক ক্লাসে তাই হয় নাকি। আরও আমাকে বিশ্বাস করানোর জন্য বললো উপরে আকাস নিচে মাটি আর মাঝে আমি আমার বলার কথা আমি বললাম বিশ্বাস করার দায়িত্ব আপনার। সেবার কথা শেষ করে পরেরদিন ওর ওই বন্ধুটিকে ধরলাম ও আবার এমন ভাবে কছম কাটতে লাগলো যে আবার দোটানায় পরে গেলাম। ও বললো যদি পারেন তাহলে পারভেসের নম্বার আছে কিভাবে যানবেন সেটা আপনার ব্যাপার। আমি নম্বার নিয়ে অন্য পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক গড়লাম মূহু্র্তের মধ্যে। তারপর পারভেজ সব কথা বললো যে আছিয়া আমাকে অনেক পছন্দ করে কিন্তু আমি আজ একটা কাল আরেকটা এভাবে প্রেম করি। আছিয়া বেশি ইমোশনাল তো তাই ও আমার জন্য অনেক কেঁদেছে। আর ওদের ক্লাসে কে কার সাথে প্রেম করত তাও বললো। আমি ওকে বললাম আমার এই কথা বিশ্বাস হয় না, সত্যি আমার বিশ্বাস হলো না কারন আছিয়াকে আমার বিশ্বাস আগে যেমন তেমন প্রবাদ বাক্যটি শুনার পরে ওকে অবিশ্বাস করার কথা কল্পনায়ও আনতে পারিনি। কাউকে বেশি বিশ্বাসের ফলাফল যা পেতে হয় তাই পেলাম। ফোন কনফারেন্সে পারভেজের সাথে আছিয়া কথা বললো। এটা শুধু আমাকে বিশ্বাস করানোর জন্য পারভেজ করলো।
শুনুন কি কথা হয়েছিলো সেদিন-
আছিয়াঃ সালাম।
পারভেজঃ উত্তর, কেমন আছো।
আছিয়াঃ কি ব্যপার তুমি এই নম্বার কার।
পারভেজঃ আছিয়া তুমি কি আমাকে এখনো ভালোবাসো।
আছিয়াঃ (হাসতে হাসতে) আগে বল এতদিন পর হঠাত্ এই প্রশ্ন কেন?
পারভেজঃ দরকার আছে।
আছিয়াঃ আগে আমার টা বল কি দরকার তারপর তোমারটা বলছি।
(ভাই ওর যে এত সুন্দর কথার মাঝে মায়া আমি এইটা না শুনলে কোনদিন বুঝতাম না যে ওর এত শুন্দর ভয়েজ আছে। কারন ভালোবাসার সত্যিকারের মুহুর্ত আসলে যেমন টা শুর আসে।)
পারভেজঃ চুপচাপ।

আছিয়াঃ তোমার নম্বার তো এইটা না এই নাম্বার টা কার।
পারভেজঃ নতুন নিয়েছি একটা নম্বার বেশিদিন ইউজ করি না।
আমি আর শয্য করতে না পেরে দুটোর লাইনই কেটে দিয়েছি। আছিয়া বার বার এই নাম্বারে ফোন করছে কিন্তু আমি ফোন তুলছি না, কারন আমি তো পারভেজ না। প্রিয় পাঠক আপনারাই বলুন যদি ভালোবাসাই না থাকতো তাহলে কেনো পারভেজ বলবে তুমি কি এখনও আমাকে ভালোবাসো আর আছিয়াই কেনো বলবে না যে তোমার সাথে আমার প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক নাকি তুমি এটা জিজ্ঞাসা করছো কেনো। ভাই বেশি লম্বা করবো না তাই বলছি যে এমন প্রতারিত হয়েছে সেই যানে যে কি অবস্থা হয়। এখানেই থেমে নেই তারপর মাথায় আসলো দেখি আমি ওর মনের কোন পজিশনে পৌছেছি সেটা যানি। আমি আমার বন্ধুদের খবর দিয়ে বললাম সব কাহিনি শুনে ওরা বলল মেনে নাও এটা কিছুই না। কিন্তু আমার সাথে কেনো এমন হল, আমি তো জীবনের প্রথম জীবনের চেয়ে বেশি ভালো বেসেছি আমি তো চেয়েছি ফ্রেশ একটা মন। পারভেচের বন্ধু সেজে আমার বন্ধু সুলতান আছিয়াকে বললো রাজু কিজেনো বলেছে দেখে পারভেজ কান্না করছে। আর ভাই আছিয়া বললো বিয়াদবের কথা শুনে ও এমন করতেছে কেনো। পারভেজের কাছে ফোনটা দেন আমি বুঝাচ্ছি পারভেজ কথা আপনার সাথে বলবে না। আছিয়া বলতেছে রাজুকে যে কি করব সয়তানের 

৭ম খন্ড জন্য আমার জীবনটা শেষ। ও কি পায়ছে রাজু একটা (প্রায় তিন মিনিট -------) বুঝতেই পারছেন। ফোনটা কেটে বন্ধ করে রাখা হল আর আমার বন্ধুরা তো বুঝতেই পারছেন আমার সব চাপা শেষ আর বলল তর এই আছিয়ার ব্যাবহার। এত ভালোবাসিস যারে এই তরে ভাবে। কোনো দিন যদি শুনছি আছিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছিস তাহলে তকে জুতা মারা উচিত হবে। কিন্তু ভাই আছিয়াকে জানিয়ে দেওয়া হল এটা তেমন কোন বিষয় না শুধু চিটিং মাত্র। সবই বুঝলো ও যে আমি ধরা খেয়ে গেছি আসলে সত্য কোনদিন চাপা থাকে না আর এটাই একটা চির সত্য। কিছুদিন কথা বন্ধ আবার অনেক দিন পর যোগাযোগ করার চেষ্টা করলাম কারন সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষকে কোন দিনও ভোলা সম্ভব না। ও বললো আপনার কি মনে হয় পারভেজের কাছে আমি শিকার করছি ভালোবাসার কথা। কথায় আছে ঠেটা ঢেকির বাদ্য বেশি। আর আমি ওকে বরাবরের মত জিতানোর জন্য বললাম তোমার জায়গায় আমি থাকলেও আরও বেশি বকাঝকা দিতাম। কারন একজনের কথা আরেক জনকে আজেবাজে বলার কথা শুনলে এমনিই রাগ ধরে। কিন্তু বুঝতে পারলাম ও আর আমার সাথে কথাই বলতে চাচ্ছে না। এর মাঝে ও বললো আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে খালাতো ভাইয়ের সাথে তাই আপনি আর আমাকে ফোন দিতে পারবেন না আমার তাহলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমি বললাম আমার ভালোবাসার কি কোন দাম নেই। সেটা আমি জানি না। প্রিয় পাঠক কথা অনেক হচ্ছে আমি বুঝাতে চাচ্ছি মেইন যে কথাগুলি। ফোন দিলেই শুধু ওর খালাত ভাইয়ের কথা শুনাত বলে প্রচুর রাগ হত কিছু বলতে পারতাম না। তাই আমি বললাম প্রেম তো করছো না তাই বিয়ে হয় ভালো কথা আর আমি কি তোমাকে ফেলে দিতাম। ও আগে বলতো আমাকে বাড়ি থেকে যেখানে বিয়ে দিবে সেখানেই বিয়েতে রাজি কিন্তু এখন শুর ঘুরে বললো বাড়িথেকে কানা, লেংরা, বোবা যার সাথেই বিয়ে দিবে তাকেই বিয়ে করতে রাজি শুধু আপনাকে বাদে। কারনটা ছিলো এই অল্প জীবনে নাকি অনেক ভাবে ওকে কষ্ট দিয়ে ফেলেছি তাই সেটা আমিও শিকার করছি। কিন্তু পাঠক ভাই আপনিই বলুন আমার দোষটা কোথায় পেয়েছেন। সম্পুর্ন দোষ ওর তাহলে কি হবে অপরাধ আমার কারন ও খুব ভালো করেই বুঝে গেছে আমি ওকে অনেক ভালোবাসি তাই যেমনে নাচাবে তেমনিই নাচতে হবে। আমার সাথে কথা বলতো ও রাত ১০টা থেকে বা তারও পরে। ওকে আর ফ্রি পাইনা শুধু ওয়েটিং। আমি বললেই বলতো শম্যু নাহলে মেহেদি ভাই, দুলাভাই, বান্ধবি, খালাতো বোন, বন্ধু কোনো কিছু বললেই আমি রাগ করতাম না বলে বললো সজল ভাইয়ের সাথে কথা বলি শুধু আমাকে রাগানোর জন্য। আামার প্রচুর জিদ উঠতো কিন্তু কিছুই বলতে পারতাম না। আমি বুঝিয়ে বলতাম বিয়ের আগে কথা বলা ঠিক না ও বলতো তাহলে আপনি কেনো কথা বলছেন। নানা ধরনের বিরক্তিকর কথা বলতো আমি এত খুলে বলছি না সব মুখ বুঝে সহ্য করতাম। একদিন আমার বাপ তুলে কথা বললো দেখে খুব রাগ হল মনে মনে অনেক বকাঝকা করলাম যে প্রেম করবিনা ভালো কথা বাপ তুলে কথা বলার কি দরকার। তাই জিদ করে বসলাম প্রেম আমি করবোই আমার জীবন থাকতে ছারবো না। কারন আমার জীবন খেলনা নয় বিশ্বাস করেছি বিশ্বাসের মর্যাদা আদায় করে নিব। কিন্তু ও একদিন ইমোশনাল মূহুর্তে বললো আমি সজলকে ভালোবেসে ফেলেছি কারন ছোটবেলা থেকে আমাদের বিয়ে ঠিক করা। আমি সবই শুনলাম কিন্তু বিশ্বাস করলাম না কারন আমি মনে করতাম ওকে যাতে ভুলে যাই তার জন্য ও মিথ্যা কথা বলত। তার পর থেকে ফোন করলেই বলতো শুধু সজলকে ভালোবাসার কথা। একদিন শুনলাম আছিয়ার সত্যি বিয়ে হয়ে গেছে তাই ও ওর খালাত ভাইয়ের বাড়িতে চলে গেছে আমি
৮ম খন্ড আমার বন্ধুদের খবর দিয়ে খোজ করে দেখি সত্যি চলে গেছে। অনেক কান্না করলাম বন্ধুরা অনেক বুঝালো যে ও তোকে বুঝে নাই তাই এটা করলো। আমি মেনে নিতে পারছিলাম না প্রায় দুই তিন মাস পর ওকে বাড়িতে দেখলাম। এর মাঝে আমি আর ওকে ফোন দেই নি কারন যদি ওখানে ওর কোন ক্ষতি হয়। আমি নিজেকে কন্ট্রোল করে ফেললাম সব কিছু মেনে নিয়ে। কিন্তু ওকে দেখার পর আমি ফোন দিয়ে শুনলাম স্মামীর বাড়ি কেমন লাগলো। ও বললো আপনিকি পাগল হইছেন স্মামীর বাড়ি পেলাম কোথায় আমি গেছি আমার আত্মিয় বাড়িতে। আমি খুশিতে পুরো কেদে ফেললাম এই শত্যিটা জেনে। ও তখন নিরবে শুনছিলো আমার এই মেনে নেওয়ার ঘটনা গুলি। আমার কথা গুলো সুনে জরে একটা নিঃষাস ছেরে বললো এইটা বলে দিয়ে আমি মনেহয় বড় একটা ভুল করে ফেললাম। আমার সব বন্ধুরা মিলে উল্লাস করলাম ওরা আমাকে বাধা দিতে দিতে এখন আর কোন বাধা দেয় না। ওরা বলে তোরটাই সত্তিকারের ভালোবাসা যে এত কিছুর পরেও এই মেয়েকে বাদ দিতে পারিস না তাই আমরাই ভুল তুই ঠিক। যতটুকু লিখলাম এর মাঝেই পার হয়ে গেলো দীর্ঘ পাঁচটি বছর। আবার ভালোই কথা বলতে শুরু করলাম তবে এবার ওর নিওম মেনে পাচদিন পর এক দিন কথা বলবো কারন আমি ওকে বলেছি তোমার সাথে কথা না বলতে পারলে আমি বাচবো না। তাই ও এই নিওম করে দিয়েছে। একদিন ফোন করলাম ফিসফিস আওয়াজ করে আমার সাথে কথা বলছে। তাও আবার প্রেমের কথা সেটা যে আছিয়া না খুব ভালো বুঝলাম তবে ভাবলাম বা মনে হলো পাশে থেকে আছিয়া শিখিয়ে দিচ্ছে আর মেয়েটি বলছে। তো প্রেমের কথা বলছে তাও আবার আছিয়ার ফোন থেকে তাই বেশ মজা নিচ্ছিলাম। ভাবলাম মেয়েমানুষের মন কখন শক্ত আবার কখন নরম হয় বোঝা কষ্ট, তাই এখন বুঝি মত ঘুরেছে বলে আছিয়া অন্য কাওকে দিয়ে ফিসফিস করে বলাচ্ছে। তাই আমি কোন কিছু জিজ্ঞাসা না করে কথা বলতে থাকলাম হঠাৎ মেয়েটি বললো আপনি কতদুরে। আমি বাড়ি ছিলাম কিন্তু সত্যিটা বললাম না তাই বললাম তোমাদের বাড়ির পাশের বাড়িতে দেখবো কি করে তার জন্য মিথ্যা বললাম। তখন আমাকে বললো ঘর খুলি আস। আমি বললাম ঠিক আছে খোলেন সত্যি সত্যি ঘর খোলার শব্দ শুনলাম তখন আমার রাগ হল আমি বললাম আছিয়া কোথায় ঘর খুললেন কেনো। হাসতে হাসতে বললো আমিই তো আছিয়া ঘর খুলছি আসেন। আমি তখন বললাম জানালা দিয়ে ডাকলে যে নাকি কাকি কাকি বলে চিল্লায় সে আবার ঘড় খুলে ফাজলামু বেশি হইছে আছিয়াকে দেন অমনি ফোনের লাইন শেষ আর ফোন ধরলো না কিন্তু বেশ আনন্দে কাটালামদ যে আছিয়া সরাসরি বলতে না পারলেও কারও মাধ্যমে বলেছে। কিন্তু ভাই আমার কপালে যে ভালোবাসা পাওয়া লেখা নাই সেটা বুঝলাম পরের দিন আছিয়ার কাছ থেকে। আছিয়া বললো রেগে মেগে যে আপনি আমার খালাতো বোনের কাছে কি বলছেন আবলতাবল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন তুমি কাল ফোনের কাছেই ছিলে না। ও বললো আমি ফোনের কাছে থাকলে এরকম কথা আপনাকে বলতে দিতাম? আর আপনি কেমন গাধা যে কে কথা বললো টের পাইলেন না? কথায় আছেনা সবার কপালে সুখ সয় না।যার যন্য এক রাত একটু আনন্দে কাটালাম সে কিছুই যানে না মানে কথায় আছে বাস কেনো ঝঁড়ে এসো মোর পাছায়। আমার তো তেমন কিছুই হলো না শুধু আনন্দ মাটি হল কিন্তু ও পরলো একটা বড় মছিবদে। কারন ওর দুলাভাই ও খালাতো বোন মিলে সজলের কছে মানে যার সাথে ওর বিয়ে ঠিক তার কছে বলেছে এই ছেলেকে আছিয়া রাত্রে ঘরে নিয়ে আসে। একদিক দিয়ে হাসি পেলো কথাটা শুনে যে মনে হয় বিয়েটা ভেঙ্গে যাবে এবার আবার টেনশন লাগে বাড়িতে বিচার না আসে। কিন্তু বাড়িতে বিচার আসলো না দুই দিন পর আছিয়া ফোন দিয়ে বললো প্রায় কেদে কেদে আর রাগে সজল ভাইয়ের কোন খোজ নাই বাড়িও কোন জোগাযোগ নেই যদি কিছু হয় সজল ভাইয়ের তাহলে আপনার খবর আছে। সেদিন বুঝলাম আছিয়া আর আমার নেই ও একটা কথা বলেছিল সেটা মনে পড়ল আসলেই আমার আসা গুড়েবালি হয়ে গেলো। আমার নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগলো নিজেকে স্বার্থপর মনে হল। মনে মনে ভাবলাম আমার প্রেমতো হলোই না ওদের হওয়া প্রেম ভেঙ্গে দেওয়া যাবে না । কিন্তু কোন উপায় না পেয়ে আল্লাহকে ডাকতে লাগলাম যে এ সমাধান আমার হাতেই হত শান্তি পেতাম। ঠিক চাওয়া মাত্রই সজলের ফোন আর বলতে লাগলো ভাই কতদিন প্রেম করেন বিভিন্ন ধরনের কথা। আছিয়ার মুখের একটু হাসি ফুটার জন্য নিজের এতো ছোট হলাম সজলের কাছে যে ওর ফোনের মাঝে পায় ধরলাম তাও বিশ্বাস করাতে পারিনা। তারপর বললাম আমার মরা মায়ের কছম কিন্তু কাজ হল না তারপর যখন বললাম ভাই আপনার মাকে আপনি যতটা পবিত্র মনে করেন ঠিক ততটাই আমার দিক থেকে ও পবিত্র আছে। আর বললাম ভাই আমি ওকে কাদতে দেখছি যত দ্রুত সম্ভাব ওর সাথে কন্টাক করেন। সজল বললো আমার কন্টাক করার ইচ্ছাই নেই তুমি যদি পারো আমার এই নম্বারটা ওকে দাও কারন আমি রেগে আগের ছিমটা ভেঙ্গে ফেলেছি। আছিয়াকে ফোন করে বললাম কন্টাক নাম্বার ম্যাসেজ করে দেই। হয়ত সজল ওকে বলছে তোমাকে ভালোবাসি এতটাই যে এটা শুনে আমার রানিং সিমকার্ড ভেঙ্গে ফেলেছি। আর প্রিয় পাঠক বলতে পারেন মোবাইলের সিম হয়েছিলো দুই খন্ড আমার মন হইছিলো কয় হাজার খন্ড। এই প্রথমবার বুঝলাম প্রেম হারানোর ব্যাথা তাও নিজের হাতে। কিন্তু কিছুদিন হওয়ার পর সব জেনে শুনে লজ্জা ছারার মত আবার ফোন করলাম কিন্তু ও সেদিন ভালোমত কথা বলে আবার আমার মন কেড়ে নিল।
৯ম খন্ড তারপর সরাসরি সজল আসলো বিদেশ থেকে দেশে আর আছিয়া সজলের বাড়ী গেলো দেখা করতে। আমার অনেক রাগ হয়েছিলো তার কিছুদিন পর সরাসরি সজলের সাথে ঘুরতে দেখে মনটা আরো ভেঙ্গে গেলো। আমি ওকে ফোন করে বলতে লাগলাম আমার এগুলো ভালো লাগেনা তাই তোমাকে যাতে ফোন না করতে পারি সে জন্য সিমটা পরিবর্তন করবে। কিন্তু ও বলে আপনার জন্য বা আপনার কথায় সিম পালটাবো না মানে আমার কোন একটা কথারও দাম দিচ্ছে না। কিন্তু কিছুদিন পর ও সিমটা পরিবর্তন করলো। মাঝে মাঝে অন করতো আর আমার ম্যাসেজ পাঠানো থাকতো তিন দিনের মধ্যে ডেলিভারি হলে আমার কাছে সিগনাল আসতো আর তখন ফোন করতাম। শেষ ফোনে কথা বলেছি তাও আট মাস আগে। আমার ও অসয্য হয়ে যাওয়ায় ওকে রাগানোর জন্য বললাম সজল তোমাকে কয়বার কিছ করেছে এক কথা বারবার বলায় রেগে গেল আর বললো এর জন্য আপনার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না। এটাই ওর সাথে আমার শেষ কথা। আর কোন দিন কথা বলার সখ নেই সখ থাকলেও উপায় নেই কারন ফোন নাম্বার নেই। তাই মাঝে মাঝে ওর বান্ধবির বড় বোনকে ফোন দিয়ে যানতাম ও সজলের সাথে অনেক ফোনে কথা বলে। আমার গল্প শেষ আমি পরে অন্য কোথাও প্রেম করেছি কিনা সেটা বললাম না।আমি গল্পটা দিতাম না অনলাইনে দিলাম আমার ও ওর বাড়ি থেকে আছিয়ার ও আমার পছন্দ করার বিষয়টা সব জানে। এমন কি সজলও জানে আমি আছিয়াকে ভালোবাসি।
আপনারা কিভাবে আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া গল্প সবার সাথে শিয়ার করবেন সেটা বর্ননা করছি।


1. অবশ্যই আপনার জীবন কাহিনি হতে হবে।


2. লেখায় যাতে কারও কোন ক্ষতি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখবেন।


3. আমার জীবন কাহীনি অনেক বছরের তাই গল্পটা বড় হয়েছে আপনার এত বড় করবেন না। 

4. কোন অশিল কথা লিখবেন না। 


5. আপনার গল্পটি সবার কাছে যাতে প্রিয় হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।


6. রোমান্স গল্প লিখবেন যাতে পাঠক মজা পায়। 


7. গল্পের টাইটেল নির্বাচন করুন কি দিবেন।


8. এই ঠিকানা টি মনে রাখুন 

WWW.LOVESTORYLIKE.BLOGSPOT.COM  যাতে আপনি আপনার গল্প সহজে কাওকে দেখাতে পারেন এবং আপনি নিজেও দেখতে পারেন।
9. গল্পটি সুন্দর ভাষায় লিখুন।
10. কম্পিউটারে গিয়ে টাইপ করিয়ে পুরো ডকুমেন্ট এটাস করে পাঠিয়ে দিন এই গুগোল মেইলে নিচে দেওয়া আছে।
11. অবশ্যই আপনার লেখার মান ভালো হলে এবং বাস্তবের মত মনে হলে পোষ্ট করবই। আর আপনার কোন মূল্যবান মতামত থাকলে জিমেইলেই কন্টাক করবেন ধন্যবাদ। 

কোন জায়গা থেকে কপি করে দিবেন না যদি গল্পটি ভাল হয় তাহলে আপনার গল্প দিয়ে হতে পারে নাটক অথবা খুব বেশি ভালো হলে আপনার গল্প মিলিয়ে উপন্যাস লেখা হবে। লেখাগুলো মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে সেটা সঠিকভাবে লেখার জন্য বারবার সাইটে গিয়ে পড়াশুনা করুন আর নতুন কি গল্প আসে সেটি লক্ষ করুন। অবশ্যই আপনার গল্পটি ইমেইল করতে ভুলবেন না আর যদি না লিখে থাকেন দ্রুত লিখতে আরম্ভ করুন।


এটাই আমার জীবনের গল্প তাই পাঠকদের কাছে আমার কিছু প্রশ্নঃ আমি কি আদৌ আছিয়ার সাথে প্রেম করেছি না কি আমার এটা কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিলো না। আমিতো মনে হয় ওর কাছে ভালো থাকতে গিয়ে খারাপ একটি মানুষ হয়ে গেছি যাকে ছবির ভাষায় বলে ক্ষলনায়ক। ওর মন থেকে তো আমি বেরিয়ে গেছি আমার মন থেকে কি কোনোদিন ওকে মুছতে পারবো আপনার কি ধারনা। কেনো জানি মনে হয় আমার জীবনের আপন মানুষটি আমাকে ছেরে দিয়েছে কিন্তু ও কি কোনদিনও আমাকে আপন করেছিলো আর যদি নাই করতো তাহলে আমি ওকে এত গভির ভাবে ভালোবেসে ছিলাম কেনো। আমার এই মনে কি অন্য কোন মেয়েকে জায়গা দিতে পারবো। অনেক জ্ঞানি ব্যাক্তিদের কথা যে তোমার গার্লফ্রেন্ড তখন তোমাকে এরিয়ে যাবে যখন তার জীবনে তোমার থেকে ভালো কেও আসবে তখন তো আমার জীবনে বাস্তব প্রোমান পেলাম এটা বড় একটা সত্তি। আমি মেয়েদেরকে বলবো ও ছেলেদের বলবো কখনোই কোনো মিথ্যা প্রেমের অফার কাওকে দিবেন না এবং মিথ্যা আশ্বাস দিবেন না।ইতি শাহারিয়া

April 16, 2020

বন্ধুত্ব থেকে জীবনসঙ্গী।। অনেক সুন্দর একটি প্রেম কাহিনী // Bengali Love Story


→ বন্ধুত্ব থেকে জীবনসঙ্গী.সেই কখন থেকে আমার বোন মেঘলা টাকার জন্য কানেরকাছে ঘ্যানঘ্যান করছে। মাথার নিচ থেকে বালিশটাকানে চেপে ধরলাম কিন্তু শয়তান বোনটা বালিশটানিয়ে গেলো। এই মেঘলাটার জন্য আমার সকালের ঘুমহারাম হয়ে যায়। প্রতিদিন সকালে কিছু না কিছু নিয়েআমার কাছে আসবে আর ঘুমটাকে হারাম করে দিবে।আজকে আসছে টাকার জন্য আরে বাবা আমি কি চাকরীকরি। চাকরি করলে সমস্যা ছিলো না। আমি বাবার কাছথেকে চেয়ে চেয়ে নেই আর উনি আসছে আমার কাছে।আমি বললামঃ বোনরে বাবার কাছে গিয়ে বল উনিনিশ্চয় দিবে। কে শুনে কার কথা মাঝখানে আমার ঘুমেরবারোটা বাজিয়ে দিলো। অনেক রাত করে ঘুমিয়েছিঘুমটাও হলো না এই মেয়েটার জন্য। আমি মেঘলারকোনো কথা না শুনে জোরে জোরে আম্মুকে ডাকদিলামঃ আম্মু দেখো তোমার মেয়ে আমার কাছে টাকাচাইতে আসছে। দুই মিনিট পর আম্মু রুমে এসে বললোঃ কিহইছে গণ্ডারের মত চিল্লাচিল্লি করতেছিস কেন? আমিঅনেকটা অবাক হয়ে বললামঃ ধুর বাবা নিজের ছেলেকেগণ্ডার উপাধি দিলো। গণ্ডার বলছে তো কি হইছেনিজেকে শক্ত করতে হবে তা নাহলে আজকে আমারমানিব্যাগ শেষ হয়ে যাবে। আর কোনোকিছু ভাবাভাবিনা করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হতে চললাম আম্মু কান ধরেএনে বললোঃ মেঘলার টাকাটা দিয়ে তারপর ফ্রেশ হতেযান। আমি কাঁদোকাঁদো ভাবে বললামঃ আম্মু আগে কানছাড়ো তারপর দিচ্ছি। পাশে দাঁড়ানো আমার বোনমেঘলা আমার অবস্থা দেখে খিলখিল করে হাসছে। আমিচোখটা বড় করে মা যাতে না শুনে সেইভাবে বললামঃ চুপথাক শয়তান। আমার চোখ দেখে মেঘলা মায়ের কাছেকাঁদোকাঁদো গলায় বললোঃ আম্মু দেখছো তোমার ছেলেআমাকে ধমকি দিচ্ছে। আমি একটু সামনে গিয়ে মেঘলারমাথায় হাত দিয়ে বললামঃ ধুর মেঘলা আমি কি তোকেধমক দিতে পারি। আমার মুখে হাসি আসছে না তারপরওএকটু অভিনয় করে হাসি দিয়ে বললামঃ আচ্ছা তোর কতটাকা লাগবে?ঝটপট মেঘলা বলে দিলোঃ পাঁচশত টাকা লাগবে।মেঘলার কথা শুনে আমি আকাশ থেকে পড়লাম। আমিঅনেক ভেবেচিন্তে আম্মুকে বললামঃ আম্মু তোমাকেমনে হয় বাবা ডাকতেছে তুমি যাও আমি মেঘলাকেটাকাটা দিয়ে দিবো। আম্মুর কাছে আমি বরাবরই ধরাখেয়ে যাই টাকা না দিয়ে আমাকে আজ ছাড়বে এইটাআমি বুঝে গেছি। কি আর করা মানিব্যাগ খুলে দেখি ৫২০টাকা। কাল রাতে বাবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিলামএখন আবার কি করে টাকা চাই। যাই হোক টাকাটামেঘলাকে দিয়ে দিবো। টাকাটা অর্ধেক মেঘলার হাতেআর অর্ধেক আমার হাতে কিছুতেই ছাড়তে ইচ্ছে করতেছেনা। মেঘলা বললোঃ ভাইয়া টাকাটা ছাড় না আমারদেরি হয়ে যাচ্ছে। আমি ছেড়ে দিলাম আর উনি নিয়েগেলো। আম্মু আর মেঘলা রুম থেকে হাসতে হাসতে বেরহয়ে গেলো। ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি আদিবার ৭ টা মিসডকল। মোবাইল সাইলেন্ট করা ছিলো আর উনি তো ভাববেইচ্ছে করে ধরিনি। আদিবা হলো আমার বেষ্ট বান্ধবী।তাকে ছাড়া আমার দিন যায় না। আমাকে ছাড়াওআদিবার দিন যায় না। বেকার ছেলেদের কপালে সুখ নাইমনে মনে বলতে বলতে রুম থেকে বের হইলাম। তারপরআম্মুর উদ্দেশ্যে বললামঃ আমাকে কি কেউখাবারদাবার দিবে? প্রথম অবস্থায় কোনো সাড়াশব্দআসলো না তাই আবার বললামঃ আমাকে কি কেউ চারটেভাত দিবে। আম্মু রুম থেকে এসে বললোঃ আমার হাতেআর কত খাবি এবার অন্যকিছু চিন্তা কর। আমি অসহায়েরমত বললামঃ আজ বউ নাই বলে। আম্মু মুখে হাত দিয়েহাসতে লাগলো। খাওয়ার মাঝখানে ফোনটা কেঁপেউঠলো। আদিবার ফোন, হাত ধুয়ে ফেললাম। আম্মু অবাকহয়ে বললোঃ হাত ধুয়ে ফেললি কেন? আমার তাড়া আছেআমি গেলাম। এই বলে আমি বাসা থেকে বের হইলামউদ্দেশ্য আদিবার কাছে যাওয়া। মিনিট ১০ মিনিট পরআদিবার কাছে গেলাম। গিয়ে দেখলাম মেয়েটা গালফুলিয়ে বসে আছে। আমি আস্তে আস্তে বললামঃঅনেক্ষণ ধরে বসিয়ে রাখার জন্য সরি। আমার কোনোকথার উত্তর দিচ্ছে না আদিবা। তারপর কান ধরেবললামঃ এইবার দেখ কান ধরছি। আদিবা একটু মুচকিহাসিয়ে দিয়ে কান থেকে আমার হাতটা সরিয়ে তারপাশে বসালো। অনেক্ষণ চুপ থাকার পর আদিবা বললোঃতা আপনার এত দেরি হওয়ার কারণ কি? আমি মনটাখারাপ করে বললামঃ ঘরে যদি ছোট বোন থাকে তাহলেদেরি হবেই। আমার কথা শুনে আদিবা হাসতে শুরু করলো।আমি বললামঃ পুরো ঘটনাটা আগে শোন তারপর হাসিস।অনেকদিন পর কাল রাতে ফেইসবুকে ঢুকলাম গিয়ে দেখিএকটা অচেনা মেয়ের মেসেজ। তারপর রিপ্লে দিলামএইভাবে কথা বলতে বলতে রাত ৩ টা বেজে গেছে তারপরসকাল সকাল এসে আমার শয়তান বোনটা ঘুমকে হারামকরে দিলো। বায়না ধরলো পাঁচশত টাকা দিতে হবে এইহলো ঘটনা। আদিবা চুপ করে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলো।আদিবার চুপ থাকা দেখে কিছুই বুঝলাম না বললামঃ কিরে চুপচাপ কেন? তাও আবার অন্যদিকে তাকিয়ে?কোনো কথার উত্তর দিলো আদিবা। আমি বললামঃএদিকে তাকা বলছি প্রথম অবস্থায় না তাকালেওদ্বিতীয় বার বলার পর তাকালো। আদিবা তাকাতেইআমি অনেকটা অবাক হইলাম। নিজের কাছে নিজেইপ্রশ্ন করলাম আদিবা কাঁদছে কেন?? তারপর আদিবাকোনো কথা না বলে আমার গলা চেপে ধরলো আরবললোঃ তুই মেয়েদের সাথে চ্যাট করিস কেন?? আমিবললামঃ তাতে তোর কি? আদিবা আমার গলায় আরোজোরে চেপে ধরলো। আমি আর না পেরে বললামঃ আচ্ছাঠিক আছে আর কোনো মেয়ের সাথে চ্যাট করবো নাএইবার তো গলা থেকে হাতটা সরা। আমি কাশতেকাশতে বললামঃ আরেকটু হলে তো মরেই যেতাম। তুই অন্যঅচেনা মেয়ের সাথে কথা বলবি কেন? যদি তোরে নিয়েযায়। আমি হো হো হো করে হেসে বললামঃ তুই আসলেইএকটা পাগলী। তারপর থেকে ও আমাকে কোনো মেয়েরসাথে দেখলে আমার উপর অনেক রাগ করে প্রয়োজন হলেধমক দেয়। বাসা থেকে বের হয় না। ফোন অফ করে দেয়।আদিবার এসব পাগলামো দেখে একদিন আমিও তারপ্রেমে পড়ে যাই। মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছেআদিবা কি আমাকে ভালোবাসে নাকি শুধুই পাগলামি?আমি দুটানায় পড়ে গেলাম তাই সাহস করে কোনোদিনবলতে পারিনি কারণ যদি ভুল বুঝে। আদিবা কি আমাকেসত্যি সত্যি ভালোবাসে নাকি শুধু বন্ধু ভাবে। তারপরএকদিন আমি অভিনয় করে বললামঃ আদিবা বাসা থেকেআমার বিয়ে ঠিক করে ফেলছে। মেয়েটা ইন্টার ফার্স্টইয়ার বলতে পারলাম না তার আগেই আমার পাশ থেকেউঠে চলে যেতে লাগলো। আমি একটু দৌড়ে গিয়ে হাতটাধরলাম। আদিবার আমার দিকে ফিরতেই দেখলাম রাগেচোখমুখ লাল হয়ে গেছে আবার কাঁদছেও আমি হাসতেহাসতে বললামঃ পাগলী এতক্ষণ আমি যা বলছি সবটুকুছিলো অভিনয়। দেখলাম তুই আমাকে ভালোবাসিস কিনা। তারপর আদিবা আরো রেগে তেলে বেগুনে জ্বলেউঠলো আর বললোঃ এসব নিয়ে অভিনয় করলি কেন কুত্তা?বলতে বলতে আমায় জড়িয়ে ধরে বাচ্চা পোলাপানের মতকাঁদতে লাগলো। আমি বোকার মত হা করে এদিক ওদিকতাকিয়ে রইলাম আর দেখলাম কেউ দেখছে কি না।আশেপাশে তো কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। তারপরআমিও আদিবাকে জড়িয়ে ধরে বললাম আমি তোকেঅনেক অনেক ভালোবাসি।.আমার আর আদিবার ফ্যামিলির ওরা জানে আমরাদুজনেই শুধু বন্ধু তাছাড়া আর কিচ্ছু না। কিন্তু কখন যে দুজনদুজনকে ভালোবেসে ফেলছি জানি না। আমার প্রতিআদিবার ভালোবাসা দেখে আমিও তাকে ভালোবেসেফেলছি। আমি বুঝে গেছি আমার লাইফে এমন একজনকেদরকার। আর সেটা হলো আদিবা। মেয়েরা যাকে একবারসত্যিকারে ভালোবাসে তাকে ছাড়া জীবনে আরকাউকে ভাবতেই পারে না। জীবন সঙ্গী করলে একমাত্রতাকেই করবে।.এইভাবে আমার আদিবার সম্পর্ক আরো গভীর হতেলাগলো। একটা সময় আদিবার ফ্যামিলি থেকেআদিবাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাইলো কিন্তু আদিবাতো আমাকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবে না। একদিনআদিবা আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদোকাঁদো স্বরে বললোঃজাহিদ আমি তোকে ছাড়া আমার জীবনে আর কাউকেজায়গা দিতে পারবো না। প্লিজ তাড়াতাড়ি কিছু একটাকর। আদিবার কথা শুনে আমার চোখেমুখে অন্ধকারদেখছি। বেশ অসহায়ের মত বললামঃ তুই কোনো চিন্তাকরিস না আমি দেখতেছি। এইভাবে দেখতে দেখতেআরো ৩ দিন কেটে গেলো। কোনো ব্যবস্থা করতেপারলাম না। একদিন রাতে আমি আর মেঘলা ফাজলামোকরছিলাম ঠিক সেই মুহূর্তে আদিবা আমার সামনে কাপড়গুছানো ব্যাগ নিয়ে উপস্থিত। আদিবাকে দেখে বুঝাযাচ্ছে মেয়েটা মা-বাবাকে ছেড়ে একেবারে আমারকাছে চলে আসছে। এখন যদি আমি ফিরিয়ে দেই তাহলেতার একটাই পথ থাকবে আত্মহত্যা। আমি সবকিছুবিবেচনা করে দেখলাম বিষয়টা আমার মা-বাবাকেজানানো উচিত। তাই আদিবাকে নিয়ে মা-বাবার সামনেগেলাম। গিয়ে সবকিছু বুঝলাম। আর সন্তানের কথা মা-বাবা কখনো ফেলবে না এই আশ্বাস নিয়ে আসছি। প্রথমেমা-বাবা একটু আশ্চর্য হলেও পরে সব ঠিকঠাক। কালসকালে মা-বাবা গিয়ে আদিবার মা-বাবার সাথে কথাবলবে।.সকালে মা-বাবা গিয়ে আদিবার পরিবারের সাথে কথাবললো। প্রথমে রাজি না হলেও পরে অবশ্য রাজি হয়েযায়। আজকে যদি আমি আমার মা-বাবার কাছে নাগিয়ে আদিবাকে নিয়ে পালিয়ে যেতাম তাহলে দুইপরিবারের মানসম্মান মাটির সাথে মিশে যেতো। এতেহয়তো আমার মা-বাবা হার্ট এট্যাক না করলেও আদিবারপরিবারের কেউ করতো। ছেলেমেয়ে পালিয়ে গেলেছেলের চাইতে মেয়ের বাবার মানসম্মান বেশি যায়।এরকম ভুল অনেকেই করে। কমপক্ষে একবার হলেও মা-বাবাকে জানানো উচিত তারা যদি না মেনে নেয়তাহলে যেতে পারেন। মা-বাবা কখনো সন্তানের কথাফেলবেন না।